Advertisement
E-Paper

ছাই চাপা পড়ে জখম এনটিপিসি কর্তা, বন্ধ ইউনিট

ইউনিট থেকে বার হওয়া উত্তপ্ত ছাই চাপা পড়ে আহত হলেন ফরাক্কা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন পদস্থ কর্তা। আহতরা হলেন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (রক্ষণাবেক্ষণ) ধীরাজ চৌধুরী, সিনিয়র ম্যানেজার (অপারেশন) সৈকত ঘোষ ও সিনিয়র অপারেটর (অপারেশন) অতনু দাস। অগ্নিদগ্ধ ওই তিন কর্তাকে তড়িঘড়ি প্রথমে এনটিপিসির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ‘বার্ন ইউনিট’ না থাকায় দ্রুত অগ্নিদগ্ধ ওই তিনজনকেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:২৬

ইউনিট থেকে বার হওয়া উত্তপ্ত ছাই চাপা পড়ে আহত হলেন ফরাক্কা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন পদস্থ কর্তা। আহতরা হলেন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (রক্ষণাবেক্ষণ) ধীরাজ চৌধুরী, সিনিয়র ম্যানেজার (অপারেশন) সৈকত ঘোষ ও সিনিয়র অপারেটর (অপারেশন) অতনু দাস। অগ্নিদগ্ধ ওই তিন কর্তাকে তড়িঘড়ি প্রথমে এনটিপিসির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ‘বার্ন ইউনিট’ না থাকায় দ্রুত অগ্নিদগ্ধ ওই তিনজনকেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শনিবার রাত ৯টা নাগাদ ২০০ মেগাওয়াটের দু’নম্বর ইউনিটের ঘটনা।

ঘটনার পরপরই কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কর্মীদের অসন্তোষের জেরে ওই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (মানবসম্পদ) স্নেহাশিস ভট্টাচার্য জানান, ওই তিনজনেই আপাতত বিপদ-মুক্ত। দুর্ঘটনাস্থল, ২ নম্বর ইউনিটটি রাত থেকেই বন্ধ রয়েছে। এনটিপিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি ইউনিটেই ছাই নিষ্ক্রমণের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। কিন্তু এ দিন ২০০ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটের ‘হপার’-এ প্রায় সাত মিটার উঁচু হয়ে ছাই জমে যায়। ওই তিন কর্তা সেই ছাই নিষ্ক্রমণের ব্যবস্থা করতে যান। রাত ৯টা নাগাদ সেই কাজ শুরু হয়। ধীরে ধীরে ছাই বার করার কাজও চলছিল নির্বিঘ্নেই। কিন্তু আচমকা তিন জনের গায়ে ইউনিট থেকে সদ্য বার হওয়া উত্তপ্ত সেই ছাইয়ের গাদা ভেঙে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের শরীরের একাধিক অঙ্গ পুড়ে যায়।

এর আগেও একাধিকবার জমে থাকা উত্তপ্ত ছাই গায়ে পড়ে একাধিক কর্মীরা আহত হয়েছেন। সংস্থার কর্মী সংগঠনের সম্পাদক সিটু নেতা দিলীপ মিশ্রর অভিযোগ, ‘‘২০০ মেগাওয়াটের সবচেয়ে পুরনো তিনটি ইউনিট ঠিকমত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বিপদজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। আমরা এই ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমন আশঙ্কা বার বার কর্তৃপক্ষের কাছে করেছি। কিন্তু কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার ফলেই এ দিনের দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ইউনিটটি আপাতত বন্ধ করা হলেও এক ও তিন নম্বর ইউনিট দুটির অবস্থাও একইরকম খারাপ। ফলে কর্মীরা আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। সোমবার এ নিয়ে জেনারেল ম্যানেজারের (রক্ষণাবেক্ষণ) সঙ্গে কথা বলা হবে।’’

ওই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জনসংযোগ আধিকারিক শৈবাল ঘোষ অবশ্য রক্ষণাবেক্ষণের ত্রুটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, এমন অভিযোগ মানতে চাননি। তিনি জানান, পুরনো হলেও তিনটি ইউনিটই যথেষ্ট স্থিতিশীল। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কর্মীদের আশঙ্কার কোনও কারণ নেই।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy