শৌচাগার তৈরি নিয়ে সিপিএমের অর্ন্তদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। সোমবারও চাপড়ার সিপিএম পরিচালিত মহৎপুর পঞ্চায়েতের প্রধান-সহ এক সদস্যকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখালেন দলেরই একদল কর্মী-সমর্থক। ঘণ্টা খানেক পর পুলিশ ও সহকারি বিডিও-র হস্তক্ষেপে উঠে যায় ওই বিক্ষোভ।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত কার্যালয়ের পাশে মহৎপুর গ্রামে ফরজ আলি বিশ্বাসের বাড়িতে শৌচাগার তৈরি হচ্ছিল। অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সফিকুল ইসলাম শৌচাগারের কাজ বন্ধ করে দেন। শুধু তাই নয়, তিনি নির্মীয়মান শৌচাগারের একাংশ ভেঙেও দেন। তারপরই ফরজ আলি-সহ গ্রামের বেশ কিছু লোকজন পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ফরজের অভিযোগ, ‘‘আমরাও সিপিএম করি। কিন্তু ওই পঞ্চায়েত সদস্যের অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করায় তিনি আমার বাড়ির শৌচাগার ভেঙে দিলেন।’’ যদিও প্রধান রমজান আলি মন্ডল বলেন, ‘‘ওঁনার বাড়িতে একটি অস্থায়ী শৌচাগার আছে। শৌচাগার তৈরির তালিকায় ওই পরিবারের নাম ছিল না। তাই আমাদের পঞ্চায়েত সদস্য কাজ আটকায়। নির্মাণকারী সংস্থা ভুল করে কাজ করছিল। অন্যায়ভাবে আমাদের দলের লোকজন নেতৃত্ব দিয়ে পঞ্চায়েতে তালা ঝোলাল।’’ যদিও শৌচাগার ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্য সফিকুল ইসলাম। চাপড়ার বিডিও রিনা ঘোষ বলেন, ‘‘তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদার সংস্থাটি ভুল করে এক ব্যক্তির বাড়িতে শৌচাগার বানাচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত সদস্য শৌচাগার নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছেন।’’