Advertisement
E-Paper

সংক্রমণ নিয়ে ভয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা

জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই স্বাস্থ্যকর্মী। সম্প্রতি ময়নাগুড়ির এক আশা কর্মীর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

অর্জুন ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২০ ০৬:১৬
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নতুন করে তিনজনের করোনা সংক্রমণের খবর মিলল জলপাইগুড়ি জেলায়। স্বাস্থ্য দফতরের একটি সূত্রে এই খবর মিলেছে। তবে নতুন করে যে তিনজনের সংক্রমণ হয়েছে, তাঁরা কোন ব্লকের বাসিন্দা তা জানা যায়নি।

জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই স্বাস্থ্যকর্মী। সম্প্রতি ময়নাগুড়ির এক আশা কর্মীর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। জেলার নাগরাকাটার দুই নার্সিং স্টাফেরও করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে। অভিযোগ, আশা স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবর্ম ছাড়াই কাজ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুরক্ষাবর্ম দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁদের একাংশ। জেলার তিন জন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পরে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান। রবিবার জেলার নাগরাকাটা এবং মেটেলি ব্লকের স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বাড়াতে এক স্বাস্থ্য আধিকারিককে পাঠানো হয়েছে। ওই দুই ব্লকের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য দস্তানা, মাস্ক ও স্যানিটাইজ়ারের জোগান দেওয়া হয়েছে বলে দফতর সূত্রের খবর।

পশ্চিমবঙ্গ আশা স্বাস্থ্যকর্মী ইউনিয়নের ময়নাগুড়ি ব্লকের সম্পাদিকা লক্ষ্মী সরকার বলেন, ‘‘আমাদের ব্লকের এক আশা স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। করোনা মোকাবিলায় আমরাই প্রথম সারিতে কাজ করছি। অথচ আমাদেরই কোনও সুরক্ষা পোষাক নেই। আমাদের সকলের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থাও করতে হবে।’’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্সিং স্টাফ জানান, তাঁদের সরাসরি হাসপাতালের রোগীদের সংস্পর্শে আসতে হচ্ছে সব সময়ই। কার করোনা সংক্রমণ রয়েছে তা বোঝার উপায় নেই। প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবর্মের দাবি তুলেছেন তিনি। অভিযোগ, আশা স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সিং স্টাফ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় মাস্ক, দস্তানা ও স্যানিটাইজ়ার ঠিকমতো সরবরাহ করা হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) পরে কাজ করা যথেষ্ট কষ্টকর। সকলের জন্য পিপিই দেওয়ার নির্দেশও নেই। স্বভাবতই সব স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই দেওয়া হয়নি। তবে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্রনাথ প্রামানিক জানান, আশা স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সিং স্টাফ ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে চিকিৎসকদেরও করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে সব ব্লকেই। তাঁদের সকলেরই লালারস সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে।

Coronavirus Health Covid-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy