তৃণমূলের সমর্থক পরিবারের এক বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলেরই আর এক গোষ্ঠীর কর্মীদের বিরুদ্ধে। ওই বধূ জানিয়েছেন, রাতে তাঁর বাড়িতে ঢুকে ছোট মেয়ের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে এলাকারই তৃণমূল কর্মী। সঙ্গে ছিলেন আরও সাত জন। কিন্তু পুলিশ এক জনের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে। বাকিদের লঘু ধারা দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করে দেওয়ার পরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমেনি ওই জেলায়। শেষ পর্যন্ত জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিতে হয় বিপ্লব মিত্রকে। সেই বিপ্লববাবুর অনুগামী তপন এলাকার নেতা শঙ্কর মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ কর্মীর স্ত্রীকেই গণধর্ষণ করা হয়েছে। অভিযোগ, সত্যেন-অনুগামীরা ওই বধূর বাড়ি গিয়ে তাঁর স্বামীর খোঁজ করে। গুলিও ছোড়ে। তখন তিনি পালিয়েছিলেন। তার পরেই কোপ পড়ে ওই বধূর উপরে।
ওই বধূ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন ১৫ এপ্রিল। তার আগের রাতে তাঁর উপরে অত্যাচার হয়। তিনি বলেন, ‘‘যারা আমার উপরে অত্যাচার করেছে, তাদের সকলের নাম করে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি।’’
পুলিশ সুপার রসিদ মুনির খান অবশ্য জানান, ওই মহিলার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশিও চলছে। কিন্তু সে রাতে ওই বধূর ঘরে উপস্থিত সকলের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের মামলা দেননি কেন? এসপি-র জবাব, ‘‘ওই মহিলার অভিযোগ মতোই ধারা দেওয়া হয়েছে।’’