বাড়ি থেকে সামান্য দূরে মাঠ। সেখানে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। সেখানেই এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পরিবার। তাদের দাবি, পারিবারিক অশান্তি নয়, এসআইআরের কারণে আত্মহত্যা করেছেন ৩৭ বছরের কাবিল শেখ।
কাবিলের বাড়ি পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর অঞ্চলের পাথার মাধাইপুর গ্রামে। রবিবার বাড়ির অদূরে মাঠে একটি বৈদ্যতিক খুঁটিতে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় তাঁর দেহ মেলে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ মনে করছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে কাবিলের নাম বাদ পড়েছিল।
কাবিলের পরিবারে স্ত্রী বুলবুলি খাতুন-সহ সাত বছরের পুত্র এবং চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। কৃষিকাজ করে সংসার চলত তাঁর। মৃতের দাদা মেরাজুল হক বলেন, ‘‘যখন থেকে ভোটার লিস্টে ওর নাম বিবেচনাধীন ছিল, তখন থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিল। গতকাল রাতে ফাইনাল লিস্টে দেখা যায় পরিবারে চার ভাইয়ের নাম বাদ চলে গিয়েছে। রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ভাই। আর ফেরেনি।’’
আরও পড়ুন:
মেরাজুল জানান, অনেক খোঁজাখুঁজির পরে কাবিলকে মৃত অবস্থায় পান তাঁরা। পরিবারের দাবি, এই মৃত্যুর দায় পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের। এত দিন ধরে যে লোকগুলো ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের নাম বাদ পড়ায় নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই চাপ সহ্য করতে পারেননি ৩৭ বছরের কৃষক। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে তারা। পরিবারের তরফে কারও বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।