ভোটকর্মীদের ভোটদানে অব্যবস্থার অভিযোগ উঠল আলিপুরদুয়ারে। যার জেরে আলিপুরদুয়ার মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ছড়াল উত্তেজনাও। কেন্দ্রীয় বাহিনী দেরিতে আসায় নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তার আগে চড়া রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার প্রতিবাদে এ দিনের ভোটগ্রহণকারীদের ঘরের আলো ও পাখা বন্ধ করে দেন ভোটকর্মীদের একাংশ। পরে ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
আলিপুরদুয়ার প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন জেলার তিনটি শিক্ষাকেন্দ্র ও ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটকর্মীদের ভোটদানের আয়োজন করা হয়। এ দিন জেলায় ভোটকর্মী-ভোটদাতার সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার দুশো জন। ভোটকর্মীরা জানান, বেলা ১১টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী, বাকি জায়গার সঙ্গে আলিপুরদুয়ার মহিলা মহাবিদ্যালয়েও ১০টার পর থেকেই লাইনে দিতে শুরু করেন সেখানে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে যাওয়া কর্মীরা। কিন্তু অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী না-পৌঁছনোয় নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে ভোট শুরু করা যায়নি।
এ দিকে মাঠের মধ্যে চড়া রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়ায় ভোটকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াতে শুরু করে। অভিযোগ, তার পর তাঁদেরই কেউ কেউ ভোটগ্রহণের জন্য ঘরে বসা কর্মীদের আলো ও পাখা বন্ধ করে দেন। ভোটকর্মীরা জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত ভোটকর্মীরা পৌঁছালে দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টা নাগাদ সেখানে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু এ দিনের এই ঘটনায় ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন তোলেন ভোটকর্মীদের একাংশ। নির্বাচনের কাজে যুক্ত আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের সূচি জানিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও কারণে মহিলা মহাবিদ্যালয়ে বাহিনীর পৌঁছতে একটু দেরি হয়। ওই কর্তার দাবি, এতে কোনও সমস্যা হয়নি। সুষ্ঠু ভাবেই ভোটদানপ্রক্রিয়া চলেছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)