Advertisement
E-Paper

টাকা নয়ছয়ে বহিষ্কার, কঠোর বার্তা তৃণমূলে

দলীয় সূত্রের খবর,  আমফান, কোভিড ১৯, একশো দিনের কাজের টাকা নয়ছয়ে অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২০ ০৭:৪০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

এ বার দলে শুদ্ধকরণ করবে তৃণমূল। ত্রাণের টাকা নয়ছয়ের ঘটনায় তৃণমূল নেতার কান ধরে ওঠবসের পরেই জেলায় জেলায় এমন বার্তা পৌঁছে গিয়েছে। কোচবিহারেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে। যদিও দলের নেতারা জানান, ওই প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছিল। এ বারে গতি পেয়েছে।

দলীয় সূত্রের খবর, আমফান, কোভিড ১৯, একশো দিনের কাজের টাকা নয়ছয়ে অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। শুধু তাই নয়, যাঁদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে তাঁদের দলের কোনও দায়িত্বে রাখা হবে না। ইতিমধ্যে কোচবিহারেও যাঁদের নামে অভিযোগ উঠেছে তাঁদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত স্তরের তৃণমূল নেতাও রয়েছেন।

ওই বিষয়ে অবশ্য দলের জেলাস্তরের কোনও নেতাই মুখ খুলতে নারাজ। তৃণমূলের কোচবিহার জেলার সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ বলেন, “ওই বিষয়ে বলতে পারব না। এটুকু বলতে পারি যে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লোকজনই দলের দায়িত্বে থাকবেন। কোনও দুর্নীতিগ্রস্তদের জায়গা তৃণমূলে
হবে না।”

দলের কোচবিহার জেলা কার্যকরী সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “ওই বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্ব যা জানানোর জানাবেন।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক নেতা জানান, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে ত্রাণের জিনিসপত্র নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরে এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে বাসিন্দাদের সামনে কান ধরে ওঠবস করতে হয়। ওই ঘটনা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতৃত্ব। সেই কারণেই এমন অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত কাউকেই দলে না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরে ওই বিষয়ে নজরদারি বাড়িয়ে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

কোচবিহারে আমফান তেমন প্রভাব না ফেললেও কোভিড ১৯ এবং একশো দিনের কাজে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। ওই কাজের সঙ্গে অনেক জায়গাতেই যুক্ত ছিলেন পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনও অভিযোগ উঠেছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে দল।

এমনিতেই গত লোকসভা নির্বাচনে হারের পর থেকে কোচবিহারে দুর্বল হয়ে পড়ে তৃণমূল। ফের নতুন করে সংগঠন তৈরির কাজ শুরু করতে হয়েছে দলকে। এর মধ্যে কাটমানি বিতর্কে একাধিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। পুরসভার সদস্য থেকে একাধিক পঞ্চায়েত সদস্য কাটমানির টাকা ফিরিয়ে দেন। তার পরে ব্লকের দায়িত্বে থাকা এক নেতার নামে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে দল তাঁকে বহিষ্কার করে।

এই অবস্থায় বাকি অভিযুক্ত যাঁরা এখনও দলের সঙ্গে রয়েছেন তাঁদেরও বহিষ্কার করা হতে পারে। বিজেপির কোচবিহার জেলার সভানেত্রী মালতী রাভা বলেন, “বামেরাও শেষবেলায় শুদ্ধকরণের পথে হেঁটেছিল, লাভ হয়নি। তৃণমূলের তো কোনও প্রশ্নই নেই। কারণ ওই দলের সবাই তো দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন।”

TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy