রথের দিনে প্রথামত কাঠামো পুজো শুরু হল শিলিগুড়িতেও। আর এর মাধ্যমেই শহরে পুজোর বাজনা বাজিয়ে দিল ছোট বড় ক্লাবগুলো। বড় পুজো থেকে ঐতিহ্যের পুজো বা মন্দিরের পুজো, সবেতেই এ দিন কাঠামো পুজো হয়েছে নিয়ম মেনে। মেগা বাজেটের পুজোগুলো খুঁটিপুজো থেকেই প্রচারও শুরু করে দিয়েছে। প্রতিযোগিতার বাজারে যতটা এগিয়ে থাকা যায়, ততই লাভ, জানালেন এক পুজো উদ্যোক্তা।
শহরের সবচেয়ে প্রাচীন হিলকার্ট রোডের মিত্র সম্মিলনী ক্লাবের পুজো। তাঁদের পুজো হয় নিজেদেরই মন্দিরে মূর্তি গড়ে। তাই ক্লাবের সদস্যদের কাছে দূর্গাপুজোর তাৎপর্য আলাদা। এদিন কাঠামো পুজোর মধ্যে দিয়ে শুরু হল পুজোর প্রহর গোনা, যা চলবে দশমী পর্যন্ত। পুজো উদ্যোক্তাদের অন্যতম কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি উদয় দুবে।
শিলিগুড়ির সবচেয়ে বড় বাজেটের পুজোগুলোর মধ্যে অন্যতম সেন্ট্রাল কলোনি দূর্গোৎসব কমিটি এদিনই ঘটা করে খুঁটি পুজো করেছে। তাঁদের বক্তব্য, পুজোর চারদিন অল্প সময়। কিন্তু তার পিছনে কয়েক মাসের কঠোর পরিশ্রম থাকে। এদিন থেকেই পুজো মণ্ডপের কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই পুজোর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব।
এদিন খুঁটি পুজো করে শারদোৎসবের সূচনা করেন শিলিগুড়ি সূর্যনগর ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন ক্লাবের উদ্যোক্তারাও। এই এলাকার অন্যতম বড় পুজো কমিটির সদস্য, প্রাক্তন মেয়র পারিষদ তথা তৃণমূলের জেলা অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ পাল।
এছাড়া শহরের মহামায়া কালীবাড়ি, আনন্দময়ী কালীবাড়ি, মায়ের ইচ্ছে কালীবাড়ি সহ অন্য অনেক কালী মন্দির ও প্রতিষ্ঠিত দূর্গামন্দিরে এদিন কাঠামো পুজো হয়েছে।