Advertisement
E-Paper

বৈরাতি নাচে অভ্যর্থনা ভারতে

জিরো পয়েন্টের মুখে এসে থামল দু’টি বাস। একরাশ আশা, স্বপ্ন নিয়ে এ পাড়ে এলেন সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা। রবিবার বিকেলে বাংলাদেশের সাবেক ছিটমহল থেকে আসা ওই বাসিন্দাদের ভ্যর্থনা জানানসাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন এবং বিধায়কা পরেশ অধিকারী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৫ ০১:৩৮

জিরো পয়েন্টের মুখে এসে থামল দু’টি বাস। একরাশ আশা, স্বপ্ন নিয়ে এ পাড়ে এলেন সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা। রবিবার বিকেলে বাংলাদেশের সাবেক ছিটমহল থেকে আসা ওই বাসিন্দাদের ভ্যর্থনা জানানসাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন এবং বিধায়কা পরেশ অধিকারী। কিন্তু পু্নর্বাসনের প্যাকেজে ঘোষণা না করা নিয়ে সোচ্চার হলেন নাগরিক অধিকার রক্ষা সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত।

সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দাদের হাতে ধরা কুলোয় লেখা ছিল নিউ ইন্ডিয়া। সীমান্তে তাঁদের পুস্পস্তবক দিয়ে অভ্যর্থনা জানান ফুল ছিটিয়ে বৈরাতি নৃত্যের মাধ্যমে। ছিটমহল আবাসিকদের সভাপতি জয়প্রকাশ রায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বলেন, “কতদিন ধরে ভাবছি কবে মুক্ত হয়ে দেশে আসব। স্বপ্ন সফল হল।”

একই কথা কৌশল্যা রানি রায় এবং শ্যামলী রায়ের। সাবেক ছিটমহল বেহুলাডাঙার বাসিন্দা কৌশল্যা দুই ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে এদেশে এসেছেন। তাদের ২৩ বিঘা জায়গা বিক্রি করেছেন। সাবেক ছিটমহল নাজিরগঞ্জের শ্যামলী রায় পরিবারের পাঁচ জনকে নিয়ে এসেছেন। তাঁরাও জমি বিক্রি করে এসেছেন।

ইতিমধ্যে একজন খবর দিন একজন মহিলা বাসিন্দা অসুস্থ। তিনি নামতে পারছেন না। বিএসএফের মহিলা জওয়ানেরা এবং হলদিবাড়ি রেডক্রস সোসাইটির সদস্যরা স্ট্রেচারে করে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। সাবেক ছিটমহকল নাজির গঞ্জের বাসিন্দা মহিলার নাম অনিতা রায়। তার ছেলে আদেশ রায় বলেন, নদীর পাড়ে পড়ে গিয়ে তাঁর কোমর ভেঙেছে। বিনা চিকিৎসায় ছিলেন। আশা করি এদেশে এখন চিকিৎসা হবে। এদিন মোট ১৩টি পরিবারের ৪৮ জন সদস্য আসেন। ২৮ জন পুরুষ এবং ২০ জন মহিলা। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুটি পরিবারের সমস্যা থাকায় তারা আসতে পারেনি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy