মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি জলপাইগুড়ি স্পোর্টস কমপ্লেক্স ময়দানের নাম বদলে রেখেছেন বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গণ। তাঁর ইচ্ছে ছিল জেলায় জেলায় সমস্ত খেলায় উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। নাম বদলের পর ভাগ্যও বদলাল মাঠের। সিএবির হাত ধরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৫ দলের সঙ্গে সিএবি একাদশের খেলার মধ্যে দিয়ে আক্ষরিক অর্থেই বিশ্ববাংলায় পরিচিত হল জলপাইগুড়ি মাঠটি। সিএবি গোটা রাজ্যের কয়েকটি এলাকার সঙ্গে জলপাইগুড়িতেও একটি ম্যাচ করার জন্য নির্বাচিত করে। বিপক্ষ সিএবির অনূর্ধ্ব ২৫ দল। তিন দিনের ওই ম্যাচ শুরু হয়েছিল গত শুক্রবার। এদিন ছিল তার শেষ দিন। ম্যাচ যদিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়, তবে বাংলদেশের দলটি কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে খেলার উদ্দেশ্য সফল বলে মনে করছেন। ম্যাচ শেষে দু’দলের হাতে যৌথ ট্রফি তুলে দেন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান মোহন বসু।
গত কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব পড়ে ম্যাচেও। ম্যাচের প্রথম দু’দিন কয়েক ঘন্টা সময় কুয়াশার কারণে নষ্ট হয়। এদিনও আবহাওয়া মেঘলা থাকলেও জলপাইগুড়িতে কুয়াশা তুলনামূলক কম ছিল। তারপরেও ব্যাটে-বলে ভাল লড়াই হয়েছে দু’দলের মধ্যে।
বাংলাদেশের দলটির কোচ তথা টিম ম্যানেজার দীপু রায়চৌধুরী সময় নষ্টকেই ড্রয়ের কারণ বলে মনে করছেন। তিনি বলেন, “ প্রতিদিনই কিছুপটা করে সময় আবহাওয়ার কারণে নষ্ট হয়েছে। না হলে আমরা জেতার চেষ্টা করতাম।’’ জলপাইগুড়ি ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে ও আতিথেয়তায় তাঁরা খুশি বলে জানান তিনি। সিএবি দলটির কোচ দেবপম সরকারেরও দাবি, সময় নষ্ট না হলে ফলাফলের সম্ভাবনা ছিল। তিনি বলেন, “আমরা ভাল জায়গায় ছিলাম। তবে বাংলাদেশের দলটির বোলিং এবং ফিল্ডিং বেশ ভাল।” বাংলাদেশ বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অনুর্ধ্ব ১৫ বছরের ছেলেদের নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার হচ্ছে। তাদের থেকে ১৬ জনকে বেছে দল গড়া হয়েছে।