E-Paper

শান্তনুর প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে চর্চা কান্দিতে, উঁকিঝুঁকি স্থানীয়দের

শান্তনু আদতে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। যাঁর বোন গৌরী সিংহ বিশ্বাস তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার সহকারী পুরপ্রধান। বুধবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শান্তনুর বোন সেখানে নেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ০৯:৩৪
শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের কান্দির বাড়ি।

শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের কান্দির বাড়ি। ছবি: কৌশিক সাহা।

কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের প্রাসাদের মতো বাড়ি নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে। শান্তনু বর্তমানে ইডি-র হেফাজতে।

শান্তনু আদতে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। যাঁর বোন গৌরী সিংহ বিশ্বাস তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার সহকারী পুরপ্রধান। বুধবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শান্তনুর বোন সেখানে নেই। বাড়ির ফটকে তালা। আর আছে স্থানীয় বাসিন্দাদের উঁকিঝুঁকি। কান্দির পুরপ্রধান, তৃণমূলের জয়দেব ঘটক বলেন, ‘‘গৌরীদি আপাতত ব্যক্তিগত কাজে কান্দির বাইরে আছেন।’’

শান্তনুকে গ্রেফতারের পর থেকেই তাঁর বিশাল বাড়ি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকের দাবি, শান্তনুদের মূল বাড়িটি ভগ্নপ্রায় দশায় ছিল। সেই অবস্থা থেকে মাত্র পাঁচ-ছ’বছরে দফায় দফায় বর্তমান বাড়িটি বানিয়েছেন শান্তনু।

স্থানীয় সূত্রের খবর, শান্তনুর পড়াশোনা কান্দিতেই। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, কলকাতা পুলিশের চাকরি পাওয়া পর্যন্ত ঠিকই ছিল, কিন্তু প্রাসাদোপম বাড়িটি দেখে এখন তাঁকে নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাঁচ-ছ’বছরের মধ্যে বাড়িটিনতুন রূপ পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বাড়ির পাঁচিলের উচ্চতা পাঁচ ফুট থেকে বেড়ে প্রায় আট ফুট হয়েছে। উপরে কাঁটাতারের বেড়া। আগের টিনের দরজা সরে গিয়ে পেল্লায় ফটক বসেছে, সর্বক্ষণের জন্য বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থাও ছিল। তবে এ দিন রক্ষীর দেখা মেলেনি।

বাড়ির ভিতরে পুকুর, সুসজ্জিত বাগান, ছোট মন্দির রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। বাড়িটি খুবই দামি আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো বলেও অনেকে দাবি করেছেন। এখনও অবশ্য নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।

রতন পাল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘বাড়িটি আগে ভগ্নপ্রায় অবস্থায় ছিল। মেরামতি করার সময়ে আমরা ওই বাড়ির ভিতরে যেতে পারতাম না। নিরাপত্তারক্ষীদের কড়া নজরদারি ছিল।’’ আর এক স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম ঘোষ বলেন, ‘‘শুনেছি বাড়িতে দামি আসবাবপত্র রয়েছে, নানা কাজও করা হয়েছে। কিন্তু কী কাজ, তা জানি না।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Shantanu Sinha Biswas Kandi Murshidabad

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy