কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদেরও টেট পাশ করতে হবে বলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে গোটা দেশের প্রায় ৪০ লক্ষ শিক্ষক চিন্তায় পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্য, বিভিন্ন রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও চাকরিরত শিক্ষকদের সংগঠন সেই রায় পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছিল। বুধবার আদালতে সেই পর্যালোচনার আবেদনের শুনানির পরে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চ রায় সংরক্ষিত রাখল।
গত বছর ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, শিক্ষার অধিকার আইন মেনে যে সব প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকের টেট পাশের শংসাপত্র নেই, তাঁদের আগামী দু’বছরের মধ্যে টেট পাশ করতে হবে। যাঁদের পাঁচ বছরের কম চাকরি রয়েছে, তাঁদের টেট পাশ করতে হবে না। বাকিদের চাকরি করতে হলে বা পদোন্নতি পেতে হলে টেট পাশ করতে হবে। না হলে বাধ্যতামূলক ভাবে চাকরি থেকে অবসর নিতে হবে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীরা সওয়াল করেছেন, এর ফলে দু’তিন দশক ধরে সাফল্যের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকরা সমস্যায় পড়বেন। স্কুলে শিক্ষকের অভাব হবে। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন করেন, গুণগত মানের শিক্ষার আইনি অধিকার শিশুদের দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদেরটেট পাশের জন্য পাঁচ বছরের ছাড় দেওয়া হয়েছিল। আইনে ২০১৭ সালে আরও দু’বছর সময় দেওয়া হয়। সেই আইন মেনেই ২০২৫-এ সুপ্রিম কোর্ট আরও দু’বছর সময় দিয়েছে। শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রায় পর্যালোচনার আর্জি বিবেচনাকরা হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)