জাতীয় সড়কের অংশ এমন সাতটি রাস্তা ন্যাশনাল জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এনএইচএআই) ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়েজ় অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল)-এর কাছে হস্তান্তরিত করার অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিবের দফতর থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘নীতিগত’ ভাবে রাজ্য সরকার সাতটি জাতীয় সড়কের অংশ এনএইচএআই ও এনএইচআইডিসিএল- এর কাছে হস্তান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের দাবি, এর ফলে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ শুরু করতে পারবে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যাচ্ছে যে, দীর্ঘদিন ধরে এই হস্তান্তরিত করার প্রস্তাবগুলি রাজ্য সরকারের কাছে অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। কেন্দ্র সরকারের সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক একাধিক বার অনুরোধ জানালেও আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তরিত না হওয়ায় আটকে ছিল উন্নয়নমূলক কাজ। নয়া রাজ্য সরকারের দাবি, এ বারে সেই জট কাটল।
আরও পড়ুন:
রাজ্য সরকারের দাবি, রাস্তাগুলি হস্তান্তরের ফলে হবে। মালদহ,মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক করিডরের উন্নয়ন দ্রুত গতিতে হবে। আরও দাবি, উত্তরবঙ্গ, সিকিম ও ভুটান, বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে।
যে সাতটি রাস্তা হস্তান্তর করা হচ্ছে সেগুলি-
১। এনএইচ- ৩১২: জঙ্গিপুর–ওমরপুর–কৃষ্ণনগর–বনগাঁ–বসিরহাট–ঘোজাডাঙা (৩২৯.৬ কিমি) (এনএইচএআই)
২। এনএইচ- ৩১: বিহার–বাংলা সীমান্ত থেকে গাজোল পর্যন্ত (এনএইচএআই)
৩। এনএইচ-৩৩: বিহার–বাংলা সীমান্ত থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত (এনএইচএআই)
৪। নতুন এনএইচ-১০: সেভক–কালিম্পং–সিকিম সীমান্ত (এনআইচআইডিসিএল)
৫। নতুন এনএইচ- ৩১৭-এ: হাসিমারা–জয়গাঁও–ভুটান সীমান্ত (এনআইচআইডিসিএল)
৬। নতুন এনএইচ- ৭১৭: বারাদিঘি–ময়নাগুড়ি–চ্যাংড়াবান্ধা–বাংলাদেশ সীমান্ত (এনআইচআইডিসিএল)
৭। এনএইচ-১১০ (পুরনো এনএইচ-৫৫): শিলিগুড়ি–কার্শিয়াং–দার্জিলিং (এনআইচআইডিসিএল)