Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু পড়ুয়ার

আয়ুষকে বেনিয়াগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানিয়ে দেন। এর পরেই কারখানার বিদ্যুৎ চালিয়ে ধরা পড়ে

নিজস্ব সংবাদদাতা
ফরাক্কা ০২ অগস্ট ২০১৯ ০৩:১৯
Save
Something isn't right! Please refresh.
আয়ুষ মিশ্র। ফাইল চিত্র

আয়ুষ মিশ্র। ফাইল চিত্র

Popup Close

প্রতি দিনের মতোই খেলার সঙ্গী ছিল পাড়ার গোটা তিনেক কুকুর আর একটা রবারের বল। ছুড়ে দেওয়া সেই বল ছুটে গিয়ে মুখে করে বয়ে আনত কুকুরেরা। বুধবার বিকেলে ফরাক্কার জাফরগঞ্জে সে ভাবেই খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল আয়ুষ মিশ্রের (১১)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকেলে নিজেদেরই বাগানে আয়ুষ খেলত। সেই বাগানের পাশের জমি কিছু দিন আগেই ভাড়া দেওয়া হয় এলাকারই এক ব্যক্তিকে। তিনি সেখানে আইসক্রিম তৈরির কারখানা গড়েন। গরম হাওয়া বের করে দেওয়ার জন্য পাকা দেওয়াল কেটে বসানো হয় লোহার তারজালি ও যন্ত্রাংশ।

আয়ুষের বাবা জয়দেব মিশ্র বলেন, “এ দিনও ছেলে বিকেলে বল ও কুকুর নিয়ে খেলছিল। এক সময় বলটি ছুড়তেই তা ঢুকে যায় তারজালির পাশে দেওয়ালের ফুটোর মধ্যে। সেখান থেকে সেই বল বের করতে গিয়েই হাত পড়ে তারজালিতে। বিদ্যুতের খোলা তার জড়িয়েছিল সেই তারজালির সঙ্গে। সেখানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় ছেলে।”

Advertisement

সঙ্গে সঙ্গে জয়দেববাবু গিয়ে কারখানার মেন সুইচ অফ করেন। আয়ুষকে বেনিয়াগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানিয়ে দেন। এর পরেই কারখানার বিদ্যুৎ চালিয়ে ধরা পড়ে, বিশাল লোহার জালটাতেই বিদ্যুৎ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে জয়দেববাবুর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আইসক্রিম কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করে ফরাক্কা থানার পুলিশ। ফরাক্কার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ জানান, ঘটনার পরপরই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়াই কারখানার মালিককে এখনও ধরা যায়নি।

আয়ুষের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়েই নেমেছে শোকের ছায়া। নয়নসুখ স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। দাদা শুভজিত মিশ্রও পড়ে একাদশ শ্রেণিতে।

নয়নসুখ স্কুলের শিক্ষক মোজাহারুল হক বলছেন, “বুধবার সকালেও স্কুলে এসেছিল আয়ুষ। রাতেই তার মৃত্যুর দুঃসংবাদটা দিলেন ওই গ্রামেরই এক শিক্ষিকা। ছোট ছেলে, খেলাধুলো করতে ভালবাসত। তার অকাল মৃত্যুতে স্কুলের সহপাঠীরাও খুব ভেঙে পড়েছে। চোখের সামনেই ভাসছে আয়ুষের মুখটা।”



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement