Advertisement
E-Paper

‘চূড়ান্ত’ ভোটার তালিকায় নাম না-থাকলে তোলার জন্য কবে, কী ভাবে আবেদন করতে হবে? জানিয়ে দিল কমিশন

যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, অর্থাৎ নতুন ভোটার, তাঁদের আবেদন করার শেষ তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৮

— প্রতীকী চিত্র।

‘চূড়ান্ত’ ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না, সেই ভোটারেরা তা প্রকাশের পরেই নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। কমিশন সূত্রে খবর, সেখানে কোনও ভোটারের নাম বাদ গেলে তিনি নাম তোলার সুযোগ পাবেন। প্রথমে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং পরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে নাম তোলার জন্য লিখিত আবেদন জানাতে হবে।

রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, সামনেই বিধানসভা ভোট রয়েছে। ভোটের আগে নাম তুলতে হলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে ওই আবেদন করতে হবে। যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, অর্থাৎ নতুন ভোটার, তাঁদের আবেদন করার শেষ তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি।

ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে বসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তিনি জমি ছাড়বেন না। এই নিয়ে লড়াই হবে। এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর তৃণমূলের ‘রণকৌশল’ কী হবে? এই প্রশ্নের জবাবে মমতা বলেন, ‘‘আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘নাম বাদ গেলে প্রভাব তো পড়বেই। তবে তা নিয়ে লড়াই হবে। আমাদের কী রণকৌশল হবে, তা পরে জানানো হবে।’’ তার পরেই কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেও নাম তোলার সুযোগ পাবেন সেই সব ভোটারেরা, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর রাজ্যে এসআইআরের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছিল কমিশন। সে দিন পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিলেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন সূত্রে খবর, ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জনের নাম থাকছে খসড়া তালিকায়। বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম। মূলত মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং ভুয়ো ভোটারেদের নামই বাদ পড়েছে এই তালিকা থেকে। তবে এমনও অনেকে রয়েছেন, যাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেননি। রাজ্যে ৫৭ হাজার ৬০৪ জন রয়েছেন, যাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেননি। তাঁদের নামও রয়েছে ওই ৫৮ লক্ষের মধ্যে।

যাঁরা আগে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেননি, তাঁদের এখন ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য থাকবে ফর্ম ৬। সেটির সঙ্গে আরও একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে তাঁদের। সেটিও দেখতে এনুমারেশন ফর্মের মতোই। সেখানেও ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র জানতে চাওয়া হবে।

আগে নতুন করে নাম তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্মতারিখের প্রমাণ রয়েছে, এমন একটি নথি দিতে হত। তার সঙ্গে বাবা-মায়ের (অভিভাবকের) ভোটার কার্ডের তথ্য দিতে হত। এ বার এসআইআর প্রক্রিয়ায় সেই নিয়মে আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে। বদলেছে নিয়মও। ফর্ম ৬-এর সঙ্গে পৃথক একটি ফর্মও পূরণ করতে হবে নতুন করে তালিকায় নাম তুলতে চাওয়া ভোটারদের। ওই ভোটারের ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলে, সেই তথ্য জানাতে হবে কমিশনকে। অন্যথায়, তাঁর বাবা, মা, ঠাকুরদা, ঠাকুরমার মধ্যে কোনও এক জনের ২০০২ সালের ভোটার তালিকার তথ্য জানাতে হবে। এনুমারেশন ফর্মে যে ভাবে তথ্য দিতে হয়েছিল, সেই ভাবেই তথ্য দিতে হবে এ ক্ষেত্রেও। এনুমারেশন ফর্মের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের আধার নম্বর (ঐচ্ছিক) উল্লেখ করার জায়গা ছিল। এই ফর্মে অবশ্য সেই অংশটি থাকছে না।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy