Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

পঞ্চায়েত ভোটের মতোই ১৭টি পুরসভার ভোট নিয়েও রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের লড়াই গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। তার জেরে এ বার রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডেকে সরাসরি ‘মামলাবাজ’ বলে কটাক্ষ করলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম!

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৪ ০৩:২৯

মামলাবাজ মীরা, কটাক্ষ পুরমন্ত্রীর
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

পঞ্চায়েত ভোটের মতোই ১৭টি পুরসভার ভোট নিয়েও রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের লড়াই গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। তার জেরে এ বার রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডেকে সরাসরি ‘মামলাবাজ’ বলে কটাক্ষ করলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম! মন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা মন্তব্যে নারাজ হলেও মীরা অবশ্য জানিয়েছেন, পুরসভাগুলির ভোট সময়ে করতে চেয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কমিশন। বিধানসভায় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের বাজেট-বিতর্কের পরে ১৭টি পুরসভার ভোট নিয়ে মামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফিরহাদ বলেন, “অনেক পুরনো জমিদার থাকে, মামলাবাজ! আমার এক পিসেমশাই ছিলেন এই রকম। জমিদারি চলে গেল কিন্তু মামলা করে যাচ্ছেন!” মীরাকে কটাক্ষ করেই তাঁর আরও মন্তব্য, “লোকসভা ভোটের জন্য আড়াই মাস ধরে এই পুরসভাগুলিতেও উন্নয়নের প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। এখন একটু কাজ করি! শুধু নির্বাচনই করে যাব, অন্য কাজ করব না, এটা তো হয় না! উনি (মীরা) একটু বিশ্রাম নিন না!” মন্ত্রীর এমন কটাক্ষ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মীরা অবশ্য বলেছেন, “কোনও মন্তব্য করব না। সব বিষয়ে মন্তব্য করতে হবে কেন? সময়মতো পুরভোট হোক এটাই আমরা চেয়েছি।” জুলাইয়েই মেয়াদ ফুরোচ্ছে ১৭টি পুরবোর্ডের। পুরমন্ত্রীর যুক্তি, ওই পুুরসভাগুলির মধ্যে থেকে কিছু নিয়ে নতুন কয়েকটি পুর-নিগম গড়া হবে। কয়েকটি পুরসভাকে আবার বর্তমান পুুর-নিগমের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও আছে। তাই এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই ভোট করলে অহেতুক অর্থ খরচ হবে। মন্ত্রীর তির্যক মন্তব্য, “আমরা সরকারি টাকা তাঁকে (মীরা) দেব। ওই টাকায় তিনি আবার মামলা করবেন! অপচয়ের তো একটা সীমা আছে!”

Advertisement

জমিহারাদের নিয়ে ভিন্ন সুর সব্যসাচীর
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

যে কোনও উপলক্ষে সরকারের ঢালাও গুণকীর্তন! তিন বছরে শাসক দলের বিধায়কদের এই ভূমিকাই দেখে আসছে বিধানসভা। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের বাজেট-বিতর্কে এই চেনা ছকের কিঞ্চিৎ ভিন্ন পথে হাঁটলেন তৃণমূলের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত! সিন্ডিকেট শব্দটি এক বারও মুখে আনলেন না। কিন্তু বুঝিয়ে দিলেন, রাজারহাট বা নিউটাউনের জমিহারাদের পুনর্বাসনে তৃণমূলের সরকারও বিশেষ কিছু করেনি। সিন্ডিকেটের দখল ঘিরে গোষ্ঠী-সংঘর্ষে বারবার তপ্ত হয়েছে নিউটাউন এলাকা। নাম জড়িয়েছে শাসক দলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং বিধায়ক সব্যসাচীর অনুগামীদের। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায় বারবারই দাবি করেছেন, সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁদের দলের সম্পর্ক নেই। সিন্ডিকেট করেন জমিহারা পরিবারের লোকজন। সেই জমিহারা সূত্রেই বুধবার ঈষৎ ভিন্ন সুর বিধানসভায় নথিভুক্ত করিয়েছেন সব্যসাচীবাবু। পুর-বাজেটের বিতর্কে নিউটাউনের বিধায়ক বলেন, জমি চলে গিয়ে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য কমিউনিটি মার্কেট-সহ কিছু পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়েছিল ফ্রন্ট সরকার। কিন্তু সেগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়িত হয়নি। আবার পরিবর্তনের সরকার এসে তিন বছরেও এ ব্যাপারে বিশেষ কিছু করতে পারেনি। তৃণমূল সূত্রের ব্যাখ্যা, সিন্ডিকেট-রাজ বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে যে পরিস্থিতি দায়ী, তা সৃ্ষ্টির ব্যাপারে তাঁদের সরকার দায় এড়াতে পারে না কৌশলে এই কথাই বোঝাতে চেয়েছেন বিধায়ক। সব্যসাচীবাবু পরে বলেন, তিনি এলাকার বিধায়ক হিসাবে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। যে যা ব্যাখ্যা করার, করবেন! শুধু নিউটাউনের জমিহারাই নয়, সল্টলেকের জমি হস্তান্তরের নিয়ম প্রসঙ্গেও নিজের সরকারকে এ দিন বিঁধেছেন সব্যসাচী।

প্রেসিডেন্সিতে সদস্য কে, নাম দেয়নি ইউজিসি
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

আচার্য-রাজ্যপাল এবং রাজ্য সরকারের মনোনীত সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আসেনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর মনোনীত সদস্যের নাম। প্রেসিডেন্সির গভর্নিং বোর্ডের গঠন সম্পূর্ণ করতে ইউজিসি-র সদস্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তারা। ওই বোর্ডে আচার্য-রাজ্যপাল মনোনীত সদস্যেরা হলেন বিজ্ঞানী বিকাশ সিংহ ও নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শুভশঙ্কর সরকার। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বুধবার জানান, ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের প্রাক্তন অধিকর্তা কে বিজয়রাঘবন, চেন্নাই ম্যাথেম্যাটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধিকর্তা রাজীব করন্দিকর এবং গণিতের শিক্ষক সত্যব্রত পালকে ওই বোর্ডের সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। বোর্ডে ২৩ জন সদস্য থাকার কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা বলেন, “ইউজিসি-র সদস্যের নাম এলেই বোর্ড গঠন সম্পূর্ণ হবে।” কাকে বোর্ডের সদস্য করা যায়, সেই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে বলে ইউজিসি সূত্রের খবর।

উপাধ্যক্ষ ঘেরাও
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

ছাত্র-প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক না-করেই স্নাতক স্তরের ভর্তির মেধা-তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বুধবার সেন্ট পল্স ক্যাথিড্রাল কলেজের উপাধ্যক্ষ গৌতম বসুকে ঘেরাও করা হয়। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘেরাও চলে। এ দিকে, ভর্তিকে কেন্দ্র করে ফোনে প্রাণনাশের হুমকি পেলেন এক অধ্যক্ষা। কুলতলির বি আর অম্বেডকর কলেজের অধ্যক্ষা শিউলি দালাল বুধবার থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন।

পার্থ-রুদ্র কথা

বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংসদের সভাপতি, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ বুধবার বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সভাপতি হিসেবে তাঁর পরিকল্পনার কথা মন্ত্রীকে জানিয়েছেন রুদ্রনীল। তাঁর সঙ্গে কথা বলে মন্ত্রীও খুশি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy