পশ্চিমবঙ্গে মেডিক্যালে ভর্তির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে পার্সেন্টাইলের বদলে ফের পার্সেন্টেজ পদ্ধতিতেই ফিরে যাচ্ছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড।
ওই সংস্থার চেয়ারম্যান ভাস্কর গুপ্ত শনিবার জানান, মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (এমসিআই)-র ১৯৯৭ সালের বিধি অনুযায়ী, মেডিক্যালে ভর্তির ক্ষেত্রে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ে ডাক পাওয়ার জন্য সাধারণ পরীক্ষার্থীদের পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এবং জীবনবিজ্ঞান মিলিয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির পড়ুয়াদের পেতে হয় ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর। ২০১৩ সালে সারা দেশে মেডিক্যালের একটিই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে উত্তরপত্রের মূল্যায়ন হয়েছিল পার্সেন্টাইল পদ্ধতিতে।
ভাস্করবাবু জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এখন শুধু একটিমাত্র পরীক্ষা নিয়ে গোটা দেশে মেডিক্যালে ছাত্র ভর্তি করা যাবে না। তাই এ বছর থেকে ফের রাজ্যগুলি আগের মতোই আলাদা আলাদা জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার মাধ্যমে মেডিক্যালে ছাত্র ভর্তি করবে। পশ্চিমবঙ্গের জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড আগে জানিয়েছিল, এ বছর মেডিক্যালে ভর্তির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তারা গত বছরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ধাঁচে পার্সেন্টাইল পদ্ধতি অনুসরণ করবে। কিন্তু ভাস্করবাবু বলেন, “ডাক্তারিতে ভর্তির পরীক্ষার বিষয়ে এমসিআই-এর ১৯৯৭ সালের নিয়মই মানতে হবে।”
ভাস্করবাবু আরও জানান, এ বছর জয়েন্টে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির পরীক্ষায় যাঁরা কোনও বিষয়েই নেগেটিভ নম্বর অর্থাৎ শূন্যের নীচে পাবেন না, শুধু তাঁদেরই কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হবে। যাঁরা কোনও বিষয়ে নেগেটিভ নম্বর পাবেন, তাঁরা র্যাঙ্ক জানতে পারলেও কাউন্সেলিংয়ে ডাক পাবেন না। ফার্মেসিতে ভর্তির জন্য সফল প্রার্থীদের পৃথক মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। শেষ বার পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা ছাড়া অন্য রাজ্য থেকে প্রায় ৪২ হাজার পড়ুয়া এ রাজ্যের জয়েন্টে বসার জন্য আবেদন করেছিলেন। এ বছর ওই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০ হাজার হয়েছে।