×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৭ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

লাদাখে উত্তেজনার মধ্যেই সীমান্তে নতুন সেনা কমান্ডার নিয়োগ চিনের

সংবাদ সংস্থা
বেজিং ০৫ জুন ২০২০ ১৬:১৩
ভারত-চিন সীমান্তে দু'দেশের সেনার ফ্ল্যাগ মার্চ। —ফাইল চিত্র

ভারত-চিন সীমান্তে দু'দেশের সেনার ফ্ল্যাগ মার্চ। —ফাইল চিত্র

লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত-চিন সেনা মোতায়েন করলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছিল। তার মধ্যেই নতুন সেনাবিভাগে নতুন জেনারেল নিয়োগ করল চিন। চিনের সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মির ওয়েস্টার্ন থিয়েটারের কমান্ডার নিযুক্ত হয়েছেন জেনারেল জু ওইলিং। গত ১ জুন চিনের একটি রিপোর্টে এই খবর নিশ্চিত হয়েছে। নয়া এই নিয়োগের ফলে লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক শিবির।

জেনারেল জু ওইলিং এর আগেও ওয়েস্টার্ন থিয়েটারে কাজ করেছেন। তিনি সামরিক বাহিনীর কমান্ডার পদে ছিলেন। ফলে অনেক কিছুই তাঁর পরিচিত এবং নখদর্পণে। তাই কৌশলগত ভাবেই চিন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কূটনৈতিক শিবিরের ব্যাখ্যা। আবার আগামিকাল শনিবারই দু’দেশের সামরিক পর্যায়ের বৈঠক রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জু ওইলিংয়ের নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেও কূটনৈতিক শিবিরের মত।

চিনের ওই রিপোর্টের সূত্রে জানা গিয়েছে, জেনারেল জু ওইলিং জেনারেল ঝাও জোঙ্গকির অধীনে কাজ করবেন। ঝাও এক সময় ওয়েস্টার্ন থিয়েটারের কমান্ডার ছিলেন। তিনি পদাতিক, বায়ুসেনা এবং রকেট ফোর্সের পুরো বিষয় দেখভাল করতেন। চিনের সেনাবাহিনীর পাঁচটি থিয়েটারের মধ্যে এই ওয়েস্টার্ন থিয়েটারের উপর ভারত-চিন সীমান্তের নিরাপত্তার ভার ন্যস্ত। আবার ২০১৭ সালে যখন ডোকালাম সীমান্তে কয়েক মাস ধরে ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ চলছিল তখনও ওয়েস্টার্ন থিয়েটারের দায়িত্বে ছিলেন এই জেনারেল ঝাও। তিনি চিনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। ভারত-চিন সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত বিষয়ে জেনারেল ঝাও জোঙ্গকি এবং জেনারেল জু ওইলিং— এই দুই সেনাকর্তাই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাই এক বছর কোনও নতুন প্রকল্প নয়, জানাল অর্থমন্ত্রক

আরও পড়ুন: পুলিশের ধাক্কায় রক্তাক্ত প্রতিবাদী বৃদ্ধ, আমেরিকায় ফের নৃশংসতার অভিযোগ

মে মাসের গোড়ার দিক থেকে ভারত চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত-চিন সেনা মোতায়েন ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সেই পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল থাকলেও বেজিং বা নয়াদিল্লি কোনও পক্ষই সেনা সরায়নি। যে কোনও সময় ফের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে। তার মধ্যে জেনারেল জু ওইলিংকে নিয়োগ করে ভারতকে বার্তা দেওয়া হল বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement