Advertisement
E-Paper

বাংলাদেশে ভোট: ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন চায় বিএনপি? অবস্থান স্পষ্ট করলেন চেয়ারপার্সন তারেকের উপদেষ্টা

বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ক্রিকেটের ময়দানেও ছড়িয়ে পড়েছে সেই উত্তাপ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১২
বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। —ফাইল চিত্র।

উভয় পক্ষের স্বার্থকে অক্ষুণ্ণ রেখে ভারতের সঙ্গে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে— এমনটাই মনে করছেন তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বিএনপি নেতা মাহদী আমিন। তবে বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সে কথাও মানছেন তিনি। মাহদী বিএনপি-র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম মুখপাত্র এবং দলের চেয়ারপার্সন তারেকের উপদেষ্টা। বাংলাদেশের নির্বাচনের মুখে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দেন। বৃহস্পতিবার সকালে সেটি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ, সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপি-র অবস্থান-সহ বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্য করেন মাহদী।

বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ক্রিকেটের ময়দানেও ছড়িয়ে পড়েছে সেই চাপানউতর। এ অবস্থায় বিএনপি ক্ষমতায় এলে কি দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক আবার আগের মতো হবে? এ বিষয়ে তারেক-ঘনিষ্ঠ নেতাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কিছু সমস্যা অবশ্যই আছে। কিন্তু প্রতিটি সমস্যাই মানুষে-মানুষে যোগাযোগ আরও নিবিড় করে তোলার জন্য একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। আমরা এমন একটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দেখতে চাই যেখানে পরস্পরের উপর বিশ্বাস থাকবে। এবং, উভয় পক্ষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমরা এমন সম্পর্ক চাই, যেখানে দুই দেশই সমান এবং ন্যায্য ভাবে উপকৃত হবে।”

এ বিষয়ে বিএনপি-র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র আরও জানান, শুধু প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই নয়, গোটা বিশ্বের সঙ্গেই মিলেমিশে কাজ করার এক দারুণ সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের কাছে। বাণিজ্য, শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা, নিরাপত্তা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে সকল দেশের সঙ্গে কাজ করা যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

বস্তুত, এ বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ রয়েছে বাংলাদেশে। সেই নিয়েও প্রশ্ন করা হয় তারেক-ঘনিষ্ঠ নেতাকে। তবে তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের সাধারণ জনতাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাহদী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে দলের কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে কয়েক দশক ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতি জড়িয়ে রয়েছে। তাই বাংলাদেশের জনগণ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

হাসিনা সরকারের পতনের পরে গত দেড় বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীও। তবে তারেক-ঘনিষ্ঠ নেতার বক্তব্য, বিএনপি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ নিয়ে চলে। যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিকের একই অধিকার, একই নিরাপত্তা এবং একই ধরনের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে তারা।

Bangladesh Election bnp
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy