Advertisement
E-Paper

আমি না থাকলে মরেই যেতেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী! সিঁদুর অভিযান প্রসঙ্গে এ বার ঘুরিয়ে শাহবাজ়দেরই খোঁচা ট্রাম্পের?

চার দিনের ভারত-পাক সংঘর্ষ নিয়ে আগেও বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। প্রত্যেক বারই বোঝাতে চেয়েছেন, তিনিই ওই সংঘর্ষ থামিয়েছেন। এ বার ট্রাম্পের মন্তব্য অস্বস্তিতে ফেলে দিল পাকিস্তানকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০৯
(বাঁ দিকে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

ভারত এবং পাকিস্তানের সংঘর্ষ নিয়ে ফের মুখ খুললেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংঘর্ষের সময়ে পাকিস্তান যে সুবিধাজনক কোনও অবস্থায় ছিল না, সেই আভাসও মিলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে। ট্রাম্পের দাবি, তিনি না থাকলে মরে যেতেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতার সময়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

সিঁদুর অভিযান এবং চার দিনের ভারত-পাক সংঘর্ষ নিয়ে অতীতে বার বার মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। প্রত্যেক বারই বোঝাতে চেয়েছেন, তিনিই ওই সংঘর্ষ থামিয়েছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিকে কখনওই মান্যতা দেয়নি। তবে শাহবাজ়দের অবস্থান ছিল ভিন্ন। ট্রাম্পের ‘মধ্যস্থতা’র দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। এ বার সেই শাহবাজ়েরই অস্বস্তি বাড়ালেন ট্রাম্প। ক্যাপিটলে বক্তৃতার সময়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারত পরমাণু যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারত। বহু মানুষ আমাকে বলেছেন, আমার হস্তক্ষেপ না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন।”

বস্তুত, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময়ে ভারতই যে এগিয়ে ছিল, তা অতীতে বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে। সংঘর্ষের শেষ দিকে আকাশ প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল, এমন কথাও উঠে এসেছে কিছু রিপোর্টে। এ বার ট্রাম্পের মন্তব্যেও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল যে, সংঘর্ষের সময়ে পাকিস্তান মোটেই সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল না।

গত বছরের মে মাসে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। চার দিন ধরে সামরিক সংঘাতের পরে সংঘর্ষবিরতি হয় দুই দেশের। এই চার দিনের সংঘর্ষ নিয়ে গত মাসেই একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে সুইৎজ়ারল্যান্ডের সংস্থা ‘সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পারস্পেক্টিভ স্টাডিজ়’। সংস্থার দাবি, সিঁদুর অভিযান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির বায়ুসেনার ক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রকাশ্যে এনেছে। ওই অভিযানের ফলে বিমানবাহিনীর শক্তির দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে সেরা হয়ে উঠেছে দিল্লি এবং সেই কারণেই চার দিন সংঘর্ষের পরে পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি চাইতে বাধ্য হয়েছে।

ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ নিয়ে অতীতে বিভিন্ন সময়ে ট্রাম্প বিভিন্ন ধরনের দাবি করেছেন। সংঘর্ষের সময়ে কতগুলি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল, তা নিয়েও এক এক সময়ে এক এক ধরনের মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রথমে দাবি করেছিলেন, সাতটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে ওই সময়ে। পরে দাবি করেন আটটি। কয়েক দিন আগেই আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অফ পিস’-এ বক্তৃতার সময়ে আবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওই সময়ে ১১টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে।

Donald Trump Operation Sindoor
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy