Advertisement
E-Paper

ইরানের তেলের প্রধান ঘাঁটি খার্গ আইল্যান্ডে পর পর বোমা! কত দূরে হরমুজ় থেকে? আটকে থাকা জাহাজ নিয়েও বার্তা ট্রাম্পের

খার্গ আইল্যান্ড ইরানের তেল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। ইরান থেকে যত তেল বাইরে রফতানি করা হয়, তার ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই যায়। তাতে হামলার ফলে বিশ্বের তেলের বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩৯
ইরানের তেল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র খার্গ আইল্যান্ডে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের তেল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র খার্গ আইল্যান্ডে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের খনিজ তেলের প্রধান ঘাঁটি খার্গ আইল্যান্ডে হামলা চালাল আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, খার্গের সামরিক ঘাঁটিগুলি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে। তবে এখনও ওই দ্বীপের তেলের ঘাঁটিগুলিতে হাত দেয়নি মার্কিন সেনা। ইরান যদি হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তবে তেলের ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। খার্গে হামলা নিয়ে এখনও তেহরানের বক্তব্য জানা যায়নি।

শনিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘কিছু ক্ষণ আগে আমার নির্দেশে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড বাহিনী পশ্চিম এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হামলাটি চালিয়েছে। ইরানের মুকুট খার্গ আইল্যান্ডের সামরিক ঘাঁটিগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। তবে এখনও সেখানকার তেলের ঘাঁটিগুলিকে মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত আমি নিইনি। তবে যদি ইরান বা অন্য কেউ হরমুজ় প্রণালীতে স্বাধীন ভাবে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, আমি সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলব।’’ আমেরিকা চাইলে ইরানের যে কোনও ঘাঁটিই আক্রমণ করতে পারে এবং তা আটকানোর ক্ষমতা তেহরানের নেই, দাবি করেছেন ট্রাম্প।

হরমুজ় থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে খার্গ আইল্যান্ড। ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে তা ২৬ কিলোমিটার দূরে। যুদ্ধ চলাকালীন যখন পশ্চিম এশিয়ার অন্য দেশগুলি তেল রফতানি বন্ধ রেখেছে, তখনও ইরান তেলের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু খার্গে হামলার পর তা ব্যাহত হতে পারে।

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, খার্গ আইল্যান্ড ইরানের তেল ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। ইরান থেকে যত তেল বাইরে রফতানি করা হয়, তার ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই যায়। সেখানে হামলার ফলে বিশ্বের তেলের বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ট্রাম্প এবং ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণের পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতি টলমল। ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী হরমুজ় প্রণালী আটকে দিয়েছে। সেখান থেকে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানির জোগান কমছে সর্বত্র। তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে সংঘর্ষ কবে থামবে, তা এখনও খোলসা করতে পারছেন না ট্রাম্প। এ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘‘আমি সেটা বলতে পারব না। আমার নিজের একটা ধারণা রয়েছে। কিন্তু তাতে কী হবে? যত দিন দরকার, তত দিন যুদ্ধ চলবে।’’

শুক্রবার রাতে আমেরিকার বিদেশ দফতর থেকে একটি বিবৃতিতে পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই এবং অন্য শীর্ষ নেতাদের সম্বন্ধে কোনও তথ্য দিতে পারলেই এক কোটি ডলার পর্যন্ত (ভারতীয় মুদ্রায় ৯২.৪৭ কোটি টাকা) পুরস্কার হিসাবে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।


Donald Trump US Iran Mojtaba Khamenei Ayatollah Ali Khamenei
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy