গাড়ি দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল বচসা। সেই বচসা থেকেই এক বৃদ্ধ শিখকে প্রবল মারধরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মারের জেরে ঘটনার পরের দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। আমেরিকার নিউ ইয়র্কের সেই ঘটনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন শহরের মেয়র এরিক অ্যাডামস। সমাজমাধ্যমে শিখ সম্প্রদায়ের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
ঘটনা গত ১৯ অক্টোবরের। জসমির সিংহ নামে ৬৬ বছরের ওই বৃদ্ধের মুখে অসংখ্য বার
ঘুষি মারে গিলবার্ট অগাস্টিন নামে এক যুবক। ঘুষি মারার সময়ে বৃদ্ধের মাথা গাড়িতে ঠুকে যাওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। জসমিরের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। পরের দিন হাসপাতালেই মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। সে দিনই অর্থাৎ ২০ তারিখ বছর তিরিশের অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সেই ঘটনা নিয়ে গত কাল নিজের এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়েছেন নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক। তিনি লিখেছেন, ‘জসমির সিংহ নিউ ইয়র্ককে ভালবাসতেন। যে ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তার থেকে অনেক বেশি কিছু পাওনা ছিল তাঁর’। এরিক নিজের বার্তায় নিউ ইয়র্কে বসবসাকারী শিখদের প্রতি আরও বলেছেন, ‘একটা বিদ্বেষের জেরে একটা প্রাণ চলে গেল। আমরা এই বিদ্বেষকে প্রত্যাখ্যান করি আর আমরা এখানকার প্রতিটি শিখকে নিরাপত্তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’। আগামী সপ্তাহে শিখ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকের কথাও রয়েছে মেয়রের।
নিউ ইয়র্ক শহরে এই ধরনের বিদ্বেষের ঘটনা নতুন নয়। দিন কয়েক আগে ১৯ বছরের এক শিখ যুবক মাথায় পাগড়ি আর মুখে মাস্ক পরে থাকায় তাঁর মুখে, পিঠে আর মাথার পিছনে বারবার ঘুষি মারে ক্রিস্টোফার ফিলিপ নামে বছর ২৬-এর এক যুবক। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই শিখ যুবককে অভিযুক্ত প্রথমে তাঁর পাগড়ি খুলে ফেলতে বলেছিল। শিখ যুবকটিতাতে রাজি না হওয়ায় ক্রিস্টোফার তাঁকে বলে, ‘‘এ দেশে আমরা এ সব পরি না।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)