ইরান যুদ্ধের জেরে ধস নামতে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতে। মঙ্গলবার এই সতর্কবার্তা দিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের (ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফ) রিপোর্ট। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ শীর্ষক ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে।
আইএমএফের দাবি, ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার মুখে পড়বে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি বছর তেল, গ্যাস ও খাদ্যপণ্যের দাম চড়া থাকবে! এমনকি আগামী বছরও একই অবস্থা থাকতে পারে। ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার ২ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে বলেও আইএমএফের রিপোর্টে আশঙ্কা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইরান উপর আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হামলা এবং হরমুজ় প্রণালীতে অচলাবস্থার জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে ‘১৯৮০ সালের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম মন্দার ঘটনা’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ব্যারেল প্রতি তেলের দাম যদি এ বছর গড়ে ১১০ ডলার এবং আগামী বছর ১২৫ ডলারে পৌঁছায়, তবে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা চরম রূপ নেবে। তার জেরে ২০২৭ সালে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে! মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট অবশ্য আইএমএফের পূর্বাভাসে আশঙ্কার কারণ দেখছেন না। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমী দুনিয়ার উপর ইরানের পরমাণু হামলার আশঙ্কা নির্মূল করতে হলে ‘অল্প কিছু অর্থনৈতিক সমস্যা’ মেনে নিতে হবে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
হরমুজ় প্রণালীতে চলল গুলি! ইরান-আমেরিকার মধ্যে বাড়ল উত্তেজনা, সংঘর্ষবিরতিতে কি ইতি? কী বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
-
আমেরিকার হৃৎস্পন্দন বন্ধের হুঙ্কার, হরমুজ়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর ধ্বংসে ‘আত্মঘাতী তিমি’দের নামাচ্ছে ইরান!
-
ইরানের বন্দরে একের পর এক জাহাজে আগুন! লেবাননে মুহুর্মুহু হামলা ইজ়রায়েলের, পশ্চিম এশিয়ায় আবার সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
-
‘আমেরিকার সামনে দুই বিকল্প, বলও ওদের কোর্টে’! যুদ্ধ নিয়ে প্রস্তাব ফেরাতেই ট্রাম্পকে বার্তা ইরানের, কোন দিকে ইঙ্গিত
-
‘আমরা জলদস্যুই’! হরমুজ়ে ইরানি জাহাজের ‘দখল’ প্রসঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশংসা করলেন ট্রাম্প