এ বার সরাসরি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই হুমকি দিল ইরান। ট্রাম্পকে ‘সাবধানে থাকার’ জন্য বলেছে তেহরান। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান ‘সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’-এর প্রধান আলি লারজানি এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে হরমুজ় প্রণালীতে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ওই সংকীর্ণ জলপথ প্রায় ‘বন্ধ’ করে রেখেছে ইরান। পণ্যবাহী বেশ কিছু জাহাজে হামলাও হয়েছে। এ অবস্থায় মঙ্গলবারই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। বলেছেন, “হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ আটকাতে থাকলে ইরানের উপর আরও ২০ গুণ আক্রমণ হবে।” ট্রাম্পের এই হুমকির পর পরই পাল্টা দেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান।
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিশানা করে সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে লারজানি লেখেন, “ইরানের মতো দেশ আপনাদের ফাঁপা হুমকিতে ভয় পায় না। আপনাদের চেয়ে বড় বড় অনেকেও চেষ্টা করে ইরানকে ধ্বংস করতে পারেননি। সাবধানে থাকবেন, নিজেই যেন মরে না যান।”
আরও পড়ুন:
‘এবিসি নিউজ়’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরেই বিভিন্ন দেশে গোপন বার্তা পাঠায় ইরান। সেই বার্তা নাকি দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ইরানের ‘স্লিপার সেল’গুলিকে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরেই বিভিন্ন দেশে গোপন বার্তা পাঠানো হয়। এই গোপন বার্তার উৎসস্থল ইরান বলেই দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। ওই গোপনবার্তা আমেরিকা ধরে ফেলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
‘চুক্তি পছন্দ না হলে ইরানে ফের বোমা ফেলব’, যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের দু’দিন আগে জি৭ শীর্ষবৈঠকে নয়া সুর ট্রাম্পের
-
আলো নিবিয়ে, ট্র্যাকার বন্ধ করে হরমুজ় অতিক্রম! ইরানি কায়দাতেই তেহরানের কোটি কোটি ব্যারেল তেল লুট করেছে আমেরিকা?
-
লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজ়রায়েল, মৃত অন্তত চার! ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিই কি সার? শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন
-
শুরুতেই ভিন্ন সুর ইজ়রায়েলের, পরমাণু প্রকল্প, হরমুজ় ঘিরেও ধোঁয়াশা! স্বস্তির চেয়ে চ্যালেঞ্জই বেশি ট্রাম্প-ইরান শান্তিচুক্তিতে
-
সুবিধাবাদী নীতিতে সাপ-ব্যাঙ দু’পক্ষকেই ‘চুমু’ খেয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ! ‘আম-ছালা’ দুই-ই হারিয়ে এখন কাঁদছে ধনকুবের আরব রাষ্ট্র