Advertisement
E-Paper

সাত ঠিকানা, ৪৫ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট, ১৭৬ যুদ্ধবিমান! অপলক নজর ছিল নিখোঁজ পাইলটের উদ্ধার অভিযানে, দাবি ট্রাম্পের

ইরানের মাটিতে ভেঙে পড়া মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলের পাইলটকে উদ্ধারের জন্য ১৭৬টি বিমানে কয়েকশো বিশেষ কমান্ডোকে অভিযানে নামানো হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৪১
নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বায়ুসেনার অভিযান। ছবি: রয়টার্স।

নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বায়ুসেনার অভিযান। ছবি: রয়টার্স।

সাত ঠিকানা। ১৭৬ যুদ্ধবিমান। ৪৫ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট। কী ভাবে রুদ্ধশ্বাস অভিযানে অপলক নজর রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে সে কথাই জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, ‘‘৪৫ ঘণ্টার অভিযানের প্রতিটা মুহূর্তের দিকে নজর রেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট। পাইলট উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অনবরত নজরদারি চালানো হচ্ছিল, যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল।’’

ইরানের মাটিতে ভেঙে পড়া মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলের পাইলটকে উদ্ধারের জন্য ১৭৬টি বিমানে কয়েকশো বিশেষ কমান্ডোকে অভিযানে নামানো হয়। হেগসেথ বলেন, ‘‘ইরানের আকাশকে পুরো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। আপনারা দেখেছেন, প্রথম পাইলটকে উদ্ধারের জন্য আমরা দিনের আলোয় সাত ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়েছি। ইরান কিছু করতে পারেনি।’’ হেগসেথ আরও জানিয়েছেন, দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধার করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সেই চ্যালেঞ্জেও সাফল্য এসেছে। তাঁর কথায়, ‘‘পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ইরানের মাটি থেকে দ্বিতীয় পাইলটকে তাদের (ইরান বাহিনীর) নাকের ডগা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি।’’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই উদ্ধারকাজ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ইরানের আকাশসীমা ভেদ করে হেলিকপ্টার, শতাধিক যুদ্ধবিমানকে এই অভিযানে শামিল করা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা উড়ানে শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের মাঝে পড়েও সাফল্যের সঙ্গে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে পাইলটকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানে শামিল করা হয়েছিল বম্বার বিমান, যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, মানববিহীন সমরাস্ত্র। তার মধ্যে যেমন ছিল এ-১০ ওয়ার্টহগ, এইচ-৬০ জলি গ্রিন ২, এইচসি-১৩০ কমব্যাট কিং ২-এর মতো বিমান।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
  • আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
  • শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
সর্বশেষ
১ ঘণ্টা আগে
Iran US
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy