সাত ঠিকানা। ১৭৬ যুদ্ধবিমান। ৪৫ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট। কী ভাবে রুদ্ধশ্বাস অভিযানে অপলক নজর রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে সে কথাই জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, ‘‘৪৫ ঘণ্টার অভিযানের প্রতিটা মুহূর্তের দিকে নজর রেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট। পাইলট উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অনবরত নজরদারি চালানো হচ্ছিল, যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল।’’
ইরানের মাটিতে ভেঙে পড়া মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলের পাইলটকে উদ্ধারের জন্য ১৭৬টি বিমানে কয়েকশো বিশেষ কমান্ডোকে অভিযানে নামানো হয়। হেগসেথ বলেন, ‘‘ইরানের আকাশকে পুরো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। আপনারা দেখেছেন, প্রথম পাইলটকে উদ্ধারের জন্য আমরা দিনের আলোয় সাত ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়েছি। ইরান কিছু করতে পারেনি।’’ হেগসেথ আরও জানিয়েছেন, দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধার করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সেই চ্যালেঞ্জেও সাফল্য এসেছে। তাঁর কথায়, ‘‘পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ইরানের মাটি থেকে দ্বিতীয় পাইলটকে তাদের (ইরান বাহিনীর) নাকের ডগা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি।’’
আরও পড়ুন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই উদ্ধারকাজ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ইরানের আকাশসীমা ভেদ করে হেলিকপ্টার, শতাধিক যুদ্ধবিমানকে এই অভিযানে শামিল করা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা উড়ানে শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণের মাঝে পড়েও সাফল্যের সঙ্গে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে পাইলটকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানে শামিল করা হয়েছিল বম্বার বিমান, যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, মানববিহীন সমরাস্ত্র। তার মধ্যে যেমন ছিল এ-১০ ওয়ার্টহগ, এইচ-৬০ জলি গ্রিন ২, এইচসি-১৩০ কমব্যাট কিং ২-এর মতো বিমান।