Advertisement
E-Paper

ইরানের আশপাশে চালকবিহীন ‘ড্রোন বোট’ নামালেন ট্রাম্প! পশ্চিম এশিয়ায় এই প্রথম, নতুন হামলার ছক?

পেন্টাগন জানিয়েছে, আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় নজরদারির কাজে ‘ড্রোন বোট’ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বোট হামলার কাজেও প্রয়োগ করা হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৫:৪৬
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পশ্চিম এশিয়ায় ‘ড্রোন বোট’ মোতায়েন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পশ্চিম এশিয়ায় ‘ড্রোন বোট’ মোতায়েন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের আশপাশে পশ্চিম এশিয়ার উপকূল সংলগ্ন এলাকায় ‘চালকবিহীন ড্রোন বোট’ নামিয়েছে আমেরিকা। পেন্টাগনের সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। এর আগে ওই অঞ্চলে এমন কোনও অস্ত্র মোতায়েনের নজির ছিল না মার্কিন বাহিনীর। এই ড্রোনগুলি জলপথে ‘আত্মঘাতী’ হামলায় সক্ষম। ফলে ইরানে ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমন কোনও হামলার পরিকল্পনা করছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

‘ড্রোন বোট’ আসলে একটি স্পিডবোট। তাতে ড্রোন বসানো রয়েছে। এই বোটে চালকের প্রয়োজন হয় না। পেন্টাগন জানিয়েছে, আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় নজরদারির কাজে ‘ড্রোন বোট’ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বোট হামলার কাজেও প্রয়োগ করা হতে পারে। বোটের ড্রোনে ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা ভরে তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য পাঠানো যেতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে চালকবিহীন জলযান পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন অংশে মোতায়েন করার চেষ্টা করছিল আমেরিকা। তবে একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে ‘ড্রোন বোট’-এর মাধ্যমে যুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন বাহিনীর সেই চেষ্টা সফল হল।

বিশ্বের নানা প্রান্তে সাম্প্রতিক সংঘাতগুলিতে চালকবিহীন ড্রোনের গুরুত্ব বেড়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক হামলায় ইউক্রেন বিস্ফোরকবোঝাই চালকবিহীন জাহাজ ব্যবহার করেছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধেও এ বার সেই কৌশল নিচ্ছে আমেরিকা। রয়টার্স জানিয়েছে, আমেরিকা এখনও ব্যবহার না-করলেও ইরান কিন্তু চলতি সংঘর্ষেই অন্তত দু’বার সামুদ্রিক ড্রোন প্রয়োগ করে ফেলেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলের ট্যাঙ্কারগুলিকে সামুদ্রিক ড্রোনের মাধ্যমে নিশানা করেছে তারা।

পূর্ণদৈর্ঘ্যের জাহাজ বা রণতরী এবং ডুবোজাহাজের চেয়ে ‘ড্রোন বোট’ পরিচালনা করা অনেক সহজ। এতে খরচও তুলনামূলক কম। তা ছাড়া, চালক বা জাহাজকর্মী না থাকায় এই ধরনের বোটে নিজেদের সেনার প্রাণহানির সম্ভাবনাও কমে যায়। রয়টার্সের রিপোর্টে দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে আমেরিকা পশ্চিম এশিয়ায় চালকবিহীন নজরদারি বোটের বাহিনী গড়ে তুলতে চাইছিল। মূলত, প্রশান্ত মহাসাগরে চিনা নৌসেনার বাড়বাড়ন্তের বিপরীতে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলাই ছিল এর উদ্দেশ্য। তবে একাধিক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছিল না। খরচের চিন্তাও ছিল। সূত্রের খবর, একাধিক পরীক্ষামূলক প্রয়োগও ব্যর্থ হয়। অবশেষে সেই পথে সাফল্য পেল ওয়াশিংটন।

US Israel vs Iran Drone Attack Speedboat
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy