Advertisement
E-Paper

দেশের মধ্যে ঢুকে পড়তে পারে মার্কিন বাহিনী? স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু ইরানে, স্বেচ্ছায় সেনায় যোগ ১০ লক্ষ তরুণের

ইরানের সংবাদ সংস্থার দাবি, যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ চোখে পড়ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১০:১৮
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের ছবি-সহ পোস্টার তেহরানের রাস্তায়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের ছবি-সহ পোস্টার তেহরানের রাস্তায়। ছবি: রয়টার্স।

আমেরিকার সেনাবাহিনী ইরানের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে আশঙ্কা করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তেহরান। নতুন করে বহু তরুণকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হচ্ছে। স্বেচ্ছায় অনেকে বাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট নিয়োগকেন্দ্রের সামনে প্রায় প্রতি দিনই ভিড় জমে যাচ্ছে। সেনা সূত্র উল্লেখ করে এমনটাই দাবি করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম। বলা হয়েছে, এমন ১০ লক্ষেরও বেশি তরুণ যোদ্ধা নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁদের মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে ইরানের সেনা এবং রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী।

ইরানের সংবাদ সংস্থার দাবি, যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ চোখে পড়ছে। তাঁরা মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে চান। ইরানের এই পদক্ষেপ থেকে পরিষ্কার, হাল ছাড়তে নারাজ তেহরান। সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই সব রকম পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত থাকছেন। গত কয়েক দিন ধরেই আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে শান্তি-আলোচনা আয়োজনের জন্য সচেষ্ট হয়েছে একাধিক দেশ। পাকিস্তান তার মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনের আলোচনার পাশাপাশি বড় সংঘাতের জন্যেও ইরান প্রস্তুতি সেরে রাখছে। তাদের তরফে বরাবরই মার্কিন আগ্রাসনের সামনে মাথা নত না-করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এমনকি, আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাবও ইরান ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দাবি।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি করেছে আমে‌রিকা। ওই অংশে জলপথে হাজার হাজার নৌসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আকাশপথে আর কিছু দিনের মধ্যেই প্রচুর মার্কিন জওয়ান পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছোবে। সেই সমস্ত রিপোর্ট দেখেই স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ইরানে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান আক্রমণ করেছিল আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ বাহিনী। তাতে মৃত্যু হয় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এর পর ইরানও প্রত্যাঘাত শুরু করে। পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে লাগাতার ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। হরমুজ় প্রণালী দিয়েও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তার ফলে সারা বিশ্বে জ্বালানি তেল এবং গ্যাসের বাজার সঙ্কটের মুখে। কিন্তু আমেরিকা এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থানে এত দিন অনড় ছিল। ইরানের সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ দাবি করছিলেন ট্রাম্প। তবে গত দু’দিনে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সুর কিছুটা নরম হয়েছে। পাকিস্তানে সমঝোতার আলোচনাতেও তাদের সায় আছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যদিও এখনও কোনও পক্ষ আলোচনা চূড়ান্ত করতে পারেনি।

Mojtaba Khamenei US Israel vs Iran US Iran Conflict
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy