একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী মার্কিন সাংবাদিক শেলি কিটলসনকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে অপহরণ করা হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেলে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে উদ্ধার করলেন ইরাকি গোয়েন্দারা। গ্রেফতার করা হল এক অপহরণকারীকে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, বাগদাদের আল-সাদুন স্ট্রিটের কাছে বাগদাদ হোটেলের সামনে থেকে দু’জন অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষ অপহরণকারী শেলিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ফুটেজও প্রকাশ করেছে বাগদাদ পুলিশ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ‘আইএস এবং আল কায়দা বিশেষজ্ঞ’ হিসাবে পরিচিত ওই মহিলা সাংবাদিক ইরাকের মাটিতে সক্রিয় ইরানপন্থী জঙ্গিদের গতিবিধি অনুসন্ধান করছিলেন। যুদ্ধপরিস্থিতিতে তাই তাঁর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই।
আরও পড়ুন:
কিন্তু ইরাকের পুলিশ আমেরিকায় গোয়েন্দাদের সহায়তায় দ্রুত অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে ফেলতে সক্ষম হয়। ইরাকের স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, একটি চেকপোস্টের কাছে অপহরণকারীদের গাড়িটিকে তাড়া করে নিরাপত্তাবাহিনী। পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। ওই গাড়িটিতেই ছিলেন শেলি। তাঁকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। গ্রেফতার করা হয় গাড়িতে থাকা এক অপহরণকারীকে। তিনি ইরানপন্থী কোনও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন হামলার পরে তেহরান-সমর্থক শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ) এবং আশাব আল-কাহ্ফ ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে বেশ কয়েক বার হামলা চালিয়েছে। শেলি দীর্ঘ দিন ধরে সিরিয়া, ইরাক-সহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্ট করছেন। তিনি ইরাকে গিয়েছিলেন ইরানের উপর মার্কিন-ইজ়রায়েলের সাম্প্রতিক হানাদারি কভার করতে। ইতিমধ্যেই ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
‘আমাদের হাতে ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরানের অবস্থাও হত গাজ়ার মতো’! দাবি পেজ়শকিয়ানের, নিশানায় আমেরিকা
-
‘ভুল, খুব ভুল করছে’! ইরানকে ফের কী নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প? শান্তিবৈঠক বন্ধ করার হুমকিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের
-
হিজ়বুল্লা-নিধনে ইজ়রায়েল হামলা চালিয়ে গেলেও ‘স্পিকটিনট’! ৩০০০০ কোটি ডলারে ইরানের মুখ বন্ধ করল আমেরিকা?
-
‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই’! যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রকাশে দেরি নিয়ে প্রশ্নে মজাচ্ছলেই খোঁচা ভান্সের
-
হিজ়বুল্লার সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ জানিয়েও ফের ইজ়রায়েলি হানা লেবাননে! শান্তিচুক্তিতে নারাজ নেতানিয়াহুর কৌশল কী?