Advertisement
E-Paper

লক্ষ্য মাদকসন্ত্রাস এবং জঙ্গিদমন, দক্ষিণ আমেরিকার আর এক দেশে সামরিক অভিযানে নামল আমেরিকা!

প্রসঙ্গত, মাদকসন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে গত জানুয়ারিতেই ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযানে নেমেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে আসে মার্কিন সেনা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১২:০৪
সামরিক অভিযান ইকুয়েডরে। ছবি: রয়টার্স।

সামরিক অভিযান ইকুয়েডরে। ছবি: রয়টার্স।

মাদকসন্ত্রাস এবং জঙ্গিদমনে দক্ষিণ আমেরিকার আর এক দেশে সামরিক অভিযান শুরু করল আমেরিকা। মঙ্গলবার রাতে পেন্টাগনের তরফে এই অভিযানের কথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, মাদকসন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে গত জানুয়ারিতেই ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযানে নেমেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে আসে মার্কিন সেনা। এ বার সেই একই অভিযোগে দক্ষিণ আমেরিকার আর এক দেশ ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু করল আমেরিকা।

সূত্রের খবর, ইকুয়েডর সেনার সঙ্গে যৌথ ভাবেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে আমেরিকা। মার্কিন সাদার্ন কমান্ড তাদের এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছে, ইকুয়েডরে জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদকসন্ত্রাস বন্ধ করতেই এই অভিযান বলে দাবি করা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে জঙ্গিদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কয়েক দশক ধরেই ক্যারিবীয় অঞ্চল মাদকসন্ত্রাসের একটা মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। মাদকসন্ত্রাস বন্ধ করতে পাচারকারী নৌকাগুলিকে মাঝেমধ্যেই নিশানা করছে আমেরিকা। এ বার সরাসরি ইকুয়েডরে সামরিক অভিযানে নামল মার্কিন সেনা। আমেরিকা জানিয়েছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে মাদকসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখবে তারা।

মার্কিন প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, ইকুয়েডরের অভ্যন্তরে কী ভাবে মাদকসন্ত্রাস এবং জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে সে দেশের সেনাকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত তারা। ইকুয়েডরের সেনাকে এই অভিযানে রণকৌশল, গোয়েন্দা এবং নানা রকম অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করবে। মার্কিন সেনার সাদার্ন কমান্ডার জেনারেল ফ্রান্সিস এল ডোনোভান জানিয়েছেন, ইকুয়েডর সেনা নিরন্তর মাদকসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এ বার তাদের নানা ভাবে সহযোগিতা করবে আমেরিকা। মঙ্গলবার রাত থেকে যে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে, সেই অভিযানে সিংহ ভাগই ইকুয়েডরের সেনা।

প্রসঙ্গত, বিশ্বে মাদকপাচারকারী দেশগুলির মধ্যে শীর্ষে ইকুয়েডর। এখানে মাদক তৈরি হয় না ঠিকই। কিন্তু কলম্বিয়া এবং পেরুকে এই পাচারচক্র পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও কোন পথে মাদক পাচার করা হবে, তা স্থির করে দেয় তারা। আর এই কাজ করে ইকুয়েডরের জঙ্গি সংগঠন। সেই জঙ্গি সংগঠনের কোমর ভেঙে দিতে ইকুয়েডরকে সামরিক দিক থেকে সহযোগিতার পথে নামল আমেরিকা।

ecuador
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy