মস্কো বিশ্বযুদ্ধ চায়, অভিযোগ কিয়েভের
সংবাদ সংস্থা • কিয়েভ
গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কিন্তু এর আগে কখনও এত আক্রমণাত্মক হননি আরসেনি ইয়াতসেনিয়াক। কিন্তু আজ সকালে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে মস্কোর বিরুদ্ধে এক রাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। সরাসরি বললেন, “সামরিক ও রাজনৈতিক ভাবে ইউক্রেন দখল করে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করতে চায় রাশিয়া।” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আজ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে টিভিতে। তাঁর আরও অভিযোগ, আগামী মে মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চায় পুতিন সরকার। তবে সেই সঙ্গেই ইয়াতসেনিয়াকের হুঁশিয়ারি, “ইউক্রেনে সামরিক দ্বন্দ্ব শুরু হলে গোটা ইউরোপে তার প্রতিক্রিয়া হবে।” গত কয়েক দিন ধরে সীমান্ত বরাবর দু’পক্ষই সেনা মোতায়েন করছে। এক দিকে পূর্ব ইউক্রেনের একের পর এক শহরে রুশপন্থীদের বিক্ষোভ ছড়াচ্ছে। কিয়েভও আগাম সতর্ক হয়ে তাদের সীমান্তে সেনার সংখ্যা বাড়াতে শুরু করেছে। পিছিয়ে নেই রাশিয়াও।
পদপিষ্ট হয়ে মৃত ২৩
দক্ষিণ-পশ্চিম কঙ্গোয় পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন ২৩ জন। শুক্রবার ভোর ২টো নাগাদ কিকউইট শহরে এই ঘটনায় জখমও হয়েছেন অনেকে। এক সঙ্গীতশিল্পীর সম্মানার্থে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর লোক সমাগম হয়েছিল। অনুষ্ঠানস্থলে থাকা জেনারেটরগুলি হঠাৎ করেই কাজ করা বন্ধ করে দেয়। অন্ধকারে এত মানুষ একসঙ্গে বাইরে বেরোতে গিয়ে এই বিপত্তি।
গুলিতে হত ৯
অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ন’জন। আহতের সংখ্যা ৭। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পেশোয়ারে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি গাড়িতে চেপে পেশোয়ার বিমানবন্দরে যাচ্ছিল। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে বন্দুকবাজেরা।
ভাঙল কপ্টার
তেতলা বাড়ির উপর ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার। শুক্রবার উত্তর তাইওয়ানের এই ঘটনায় জখম হয়েছেন দু’জন পাইলট। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ওই বাড়ির কোনও বাসিন্দা জখম হননি।
বোমায় হত ৪
বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন চার জন। আহতের সংখ্যা ৩০। শুক্রবার করাচির একটি মসজিদের বাইরে নমাজের পরেই ঘটনাটি ঘটে। কোনও জঙ্গি সংগঠন ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।
বিদায় বিদেশ। প্রায় তিন সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে মা-বাবার সঙ্গে দিব্যি ছুটি কাটিয়েছে জর্জ।
এ বার ব্রিটেনে ফেরার পালা। মায়ের কোলেও তাই যেন বেশ বেজার ন’মাসের রাজপুত্র। শুক্রবার রাজকুমার উইলিয়াম,
ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট এবং জর্জকে ক্যানবেরা বিমানবন্দরে বিদায় জানাতে এসেছিলেন স্বয়ং অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী টোনি
অ্যাবট।তখনই দেখা গেল, কাচুমাচু হয়ে রয়েছে ব্রিটেনের রাজ পরিবারের খুদে সদস্যটি। রয়টার্সের তোলা ছবি।