পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে অশোধিত তেলের ব্যারেল পৌঁছেছে ১০০ ডলারে। বিশ্বজুড়েই তাতে টাকা ঢালছে বিনিয়োগকারীরা। উল্টে কমছে সোনা-রুপোর দাম। যাতে ধন্দে ক্ষুদ্র লগ্নিকারীরা। সাধারণত বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতায় এই দুই ধাতুকেই সুরক্ষিত লগ্নি হিসেবে দেখা হয়। ফলে বাড়ে দাম। যেটা জানুয়ারিতেও ভেনেজ়ুয়েলায় আমেরিকার আক্রমণের সময়ে দেখা গিয়েছিল। এ বার সেই ছবিটা মিলছে না। সোমবার কলকাতায় খুচরো পাকা সোনার (২৪ ক্যারাট ১০ গ্রাম) দাম ১৯৫০ টাকা কমে হয়েছে ১,৬০,২৫০ টাকা। কেজিতে খুচরো রুপো ৪৪০০ টাকা নেমে ২,৬৩,৪৫০ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে এর কারণ—
- যুদ্ধের কারণে অতি দ্রুত বেড়েছে অশোধিত তেলের দাম। ফলে বহু লগ্নিকারী এখন তাতে টাকা ঢালছেন।
- সোমবার বিশ্ব বাজারে আউন্সে সোনার দাম ৮৯ ডলার কমে হয়েছে ৫০৮৬ ডলার। প্রভাব পড়েছে ভারতে।
- তেল ও ডলারের চড়া দামে চিন্তা বাড়ছে মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও। ফলে সুদ কমার সম্ভাবনা নেই ধরে সোনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না লগ্নিকারীরা।
- এ বছরে বিপুল বেড়েছে সোনা-রুপোর দাম। ফলে লগ্নিকারীরা দেখতে চাইছে দাম আরও কমে কি না।
কলকাতার গয়নার পাইকারী ব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জন পাঁজা বলেন, সোনার চড়া দাম ও শেষের মুখে বিয়ের মরসুম। এই কারণে গয়নার চাহিদা তলানিতে। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির কার্যকরী সভাপতি সমর দে-র মতে, দামের পতন সাময়িক।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)