বাড়ছে তেল-গ্যাসের দাম। তার প্রভাব পড়ছে রেলের খাবারেও। তাই অবিলম্বে সেগুলির দাম বাড়ানোর দাবি তুলেছে রেলে খাবার সরবরাহকারী সংস্থাগুলি।
জ্বালানির বর্ধিত দামের ধাক্কায় সব কিছুর দাম বাড়ছে। এর ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে রেলে খাবার সরবরাহকারীদেরও। তাদের সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান রেলওয়ে মোবাইল ক্যাটারার্স’ রেল মন্ত্রককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তাদের খাবারের দাম ২০১৯-এর পরে আর পর্যালোচনাই করা হয়নি। ফলে এত বছর ধরে সব খাবারের দাম এক রয়ে গিয়েছে। অথচ ওই সময়ে খাদ্যপণ্যের মূল্য প্রায় আড়ইশো গুণ বেড়েছে। চড়া মূল্যবৃদ্ধি সামলে যাত্রীদের গুণমানে সেরা এবং পর্যাপ্ত খাবার খাওয়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে সংস্থাগুলি।
এখন মূলত দু’ভাবে খাবার পরিবেশন হয় রেলে। রাজধানী, শতাব্দীর মতো ট্রেনে টিকিটের মধ্যে খাবারের দাম ধরা থাকে। তবে তা ঐচ্ছিক। রেলের খাবার খাবেন কি না, তা ঠিক করেন যাত্রী। অন্যান্য দূরপাল্লার ট্রেনে যাত্রীদের খাবার বিক্রি করেন ক্যান্টিন কর্মীরা। খাবার সরবরাহকারী সংস্থাগুলির দাবি, দু’টি ক্ষেত্রেই লোকসান বয়েব্যবসা চালাতে হচ্ছে। তাই দ্রুত দাম বাড়ানো প্রয়োজন।
রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সব সংস্থার সঙ্গে রেলের চুক্তি যতদিন চলবে, ততদিন খাবারের দাম বাড়ানো যাবে না। সে ক্ষেত্রে খাবার পরিবেশনকারীরা চুক্তি ভেঙে দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ক্ষতির ভার বহন করতে হবে না সংস্থাকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)