সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে মেট্রোয় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য দিতে আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার, আনুষ্ঠানিক তদন্তের প্রথম দিনে প্রত্যক্ষদর্শী কোনও যাত্রী সাক্ষ্য দিতে এলেন না। রেলওয়ে সেফটি কমিশনার (মেট্রো সার্কেল) জনককুমার গর্গ বেলা ১১টায় মেট্রো ভবনে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন। কিন্তু পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে শনিবার যে-দুর্ঘটনায় ট্রেনের দরজায় হাত আটকে সজলকুমার কাঞ্জিলালের মৃত্যু হয়, তার প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রীদের কেউই এগিয়ে আসেননি। 

সাক্ষ্যে অনীহা কেন? মেট্রোর বিজ্ঞাপন সে-ভাবে প্রচারিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ট্রেনে ওঠার সময় দরজা বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করলে শাস্তির বিষয়টি যে-ভাবে প্রচার করা হয়েছে, তদন্তে সাক্ষ্যদানের বিষয়টিকে সেই গুরুত্ব দিয়ে সামনে আনা হয়নি। তবে মেট্রো-কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন সাক্ষ্য নেওয়ার কাজ চলবে। যে-কেউ এসে অভিজ্ঞতার কথা জানাতে পারেন। 

সজলবাবুর দেহ যাঁরা উদ্ধার করেছিলেন, সেই মেট্রোকর্মী এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনের চালক, গার্ড, কর্তব্যরত প্যানেল অপারেটরের সাক্ষ্য এ দিন গ্রহণ করা হয়। আজ, শুক্রবার এবং কাল, শনিবারের মধ্যে মেট্রোর রেক নির্মাতা সংস্থা ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি এবং ব্রেক ও দরজার প্রযুক্তি সরবরাহকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন গর্গ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত রেকটি ছাড়া আইসিএফের অন্য দু’টি রেক এ দিন ফের চালানো হয়েছে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।