জমানো অর্থ প্রায় শেষ। এ বার মিড-ডে মিল খাতে বরাদ্দ আদায়ের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করতে চলেছে সরকার।
স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, সোমবার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মিড-ডে মিল আধিকারকদের সঙ্গে দফতরের কর্তাদের ভিডিও কনফাররেন্স-এ একটি বৈঠক হয়। সেখানে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ নিয়ে যেমন আলোচনা হয়েছে, তেমনই কী পরিমাণ অর্থ জমানো রয়েছে সেটাও জানতে চাওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে দেখা গিয়েছে, জমানো অর্থ দিয়ে এপ্রিল মাসে মিড-ডে মিল হয়ে গেলেও পরের মাস থেকে অর্থের প্রয়োজন হয়ে পড়বে। তাই সম্ভবত চলতি সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অর্থের জন্য আবেদন করা হতে পারে খবর।
মিড-ডে মিলের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন হয় সেখানে ৬০ শতাংশ দেয় কেন্দ্র এবং বাকি ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। দফতরের দাবি, ২০২৩-এ কেন্দ্র যে পরিমাণ অর্থ দিয়েছিল, তাতে প্রায় দু’টি অর্থবর্ষের মিড-মে চালানো হয়েছে। হিসাব বলছে, গত অর্থবর্ষে প্রায় ১৯০৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু এ বার প্রয়োজনীয় অর্থ সময় মতো না পেলে মিড ডে মিল ব্যবস্থা সমস্যায় পড়তে পারে।
দফতরের এক কর্তা বলেন, ‘‘যে পরিমাণ অর্থ রয়েছে সেটা দিয়ে এপ্রিলটা কোনও ভাবে চলে যাবে। অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তার পর আর চলবে না।’’ এর পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়।
ওই কর্তার দাবি, জেলার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক অতীতের থেকে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নত হয়েছে। তবে সর্বত্র যে গ্যাসের সরবরাহ আগের মতো স্বাভাবিক হয়েছে, তা নয়। যেখানে গ্যাসের সরবারহ কম রয়েছে সেখানে অন্য জ্বালানি দিয়েই কাজ চলছে। তবে কোনও ভাবেই কোথাও মিড-ডে মিল বন্ধ হয়নি।
গত মাসের শেষে কিছু জেলায় মিড ডে মিলে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে সেই সমস্যা নেই বলে দাবি।