দক্ষ অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি কঙ্গনা রনৌত এখন একজন রাজনীতিবিদ্ও বটে। সংসদেট প্রায়শই বিভিন্ন ঘটানয় সুর চড়াতে শোনা যায় বিজেপি সাংসদকে। বয়স ৪০ ছাড়িয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে অভিনেত্রীকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই। এক সময় তিনি নিয়মিত মডেলিং করতেন, এখনও মডেলের মতোই চেহারা ধরে রেখেছেন কঙ্গনা। অভিনয়, রাজনীতির ধকল সামলে কেমন হয় কঙ্গনার রোজের ডায়েট? কী খেয়ে এত ফিট থাকেন তিনি?
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনও রকম অত্যাধুনিক ডায়েট প্ল্যান মেনে চলেন না কঙ্গনা। তাঁর শরীর যে খাবার খেয়ে অভ্যস্ত, তা খেয়েই কী ভাবে সুস্থ থাকা যায়, সেটাই কঙ্গনার ভাবনায় মূলত থাকে। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে। তাই রোজের ডায়েটে সেই কথাটাও মাথায় রেখে চলতে হয়। কঙ্গনা বলেন, ‘‘রোজ সকালটা আমি শুরু করি এক গ্লাস জল দিয়ে। তবে এক গ্লাসই, তার বেশি নয়। তার কিছু ক্ষণ পর আমি চিনি দেওয়া দুধ চা খাই সঙ্গে ভেজানো কাঠবাদাম আর কিশমিশ। আমার অ্যাসিডিটির কারণে সকালে খালি পেটে মোটেও চা খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু চা ছাড়া আমি থাকতে পারি না। অ্যাসিডিক চায়ের সঙ্গে আমি ভেজানো কিশমিশ খেয়ে নিই, ওটা ক্ষারের কাজ করে। ফলে শরীরে অ্যাসিড আর ক্ষারের ভারসাম্যটা ঠিক থাকে।’’
যোগাভ্যাস আর ধ্যানের পর কঙ্গনা রান্না করা কোনও খাবার খান না। তিনি বলেন, ‘‘আমি যোগ আর ধ্যানের পর সাধারণত কোনও রকম রান্না করা খাবার খাই না, ফল খাই। তবে যাঁদের বয়স কম কিংবা যাঁরা অনেকখানি পরিশ্রম করেন, তাঁদের জন্য এই নিয়ম মোটেও খাটবে না।’’ দুপুরের খাবারে সাধারণত অভিনেত্রী খান ভাত, ডাল, সব্জি। কঙ্গনা বলেন, ‘‘কোনও দিন ইচ্ছে করলে আমি খাই কড়ি পকোড়া, কখনও আবার ভাতের সঙ্গে মরাঠি কায়দায় বানানো পমফ্রেট মাছের ঝাল। হজমের সুবিধার জন্য আমি ডালের সঙ্গে লেবু চিপে খাই। আর গরমের সময় আমি রোজ নিয়ম করে দই খাই।’’
দু’টি খাবারের মাঝে শরীরের জলের চাহিদাও পূরণ করার দিকে নজর রাখা জরুরি। এর জন্য জলের পাশাপাশি তিনি রোজ ডাবের জল বা লেবুজল বা দইয়ের ঘোল খান অবশ্যই।