Advertisement
E-Paper

বাবার মৃত্যু হয়েছে প্রস্টেট ক্যানসারে, সচেতনতাবৃদ্ধি নিয়ে সরব অক্ষয়, পুরুষেরা সতর্ক হবেন কী করে

নিজেদের প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে এখনও অস্বস্তি বোধ করেন অনেক পুরুষই। আর সেই নীরব থাকাটাই অনেক সময় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি অক্ষয় নিজের জীবনকাহিনি শুনিয়ে সকলকে সতর্ক করার চেষ্টা করলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ২০:০৩
ক্যানসার নিয়ে সতর্কবার্তা অক্ষয় কুমারের।

ক্যানসার নিয়ে সতর্কবার্তা অক্ষয় কুমারের। ছবি: সংগৃহীত।

নিজের বাবাকে হারিয়েছেন ক্যানসারে। সেই ২০০০ সালে। আজ ২৬ বছর পরও পুরুষদের মধ্যে সাধারণ এই ক্যানসার নিয়ে সচেতনতার অভাব দেখে ভীত অক্ষয় কুমার। তাই সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে প্রস্টেট ক্যানসার নিয়ে সতর্ক করলেন বলিউড তারকা। তাঁর একটিই আর্জি, বছরে এক বার করে পিএসএ (প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন) পরীক্ষা করানো উচিত।

প্রস্টেট ক্যানসার নিয়ে সতর্কবার্তা।

প্রস্টেট ক্যানসার নিয়ে সতর্কবার্তা। ছবি: সংগৃহীত

নিজেদের প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে এখনও অস্বস্তি বোধ করেন অনেক পুরুষই। আর সেই নীরব থাকাটাই অনেক সময়ে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি অক্ষয় নিজের জীবনকাহিনি শুনিয়ে সকলকে সতর্ক করার চেষ্টা করলেন। তিনি নিজে পরবর্তীকালে জেনেছেন, ৫০-এ পা দেওয়ার পর থেকেই বছরে এক বার করে এই পরীক্ষা করানো উচিত। কিন্তু এই রোগের কবলে পড়েই তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে। তখন অক্ষয়ের বাবার বয়স ছিল ৬৭ বছর। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বলছেন, এই রোগের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা দরকার এবং নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত। এ ভাবে কেবল নিজের নয়, পরিবারেরও জীবন বাঁচানো যাবে বলে মত তাঁর।

প্রস্টেট ক্যানসার পুরুষদের মধ্যে অন্যতম সাধারণ ক্যানসার। প্রস্টেট গ্রন্থি পুরুষ প্রজননতন্ত্রের একটি ছোট গ্রন্থি, যা মূত্রথলির নীচে এবং মলদ্বারের সামনে অবস্থিত। এটি বীর্য তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় তরল উৎপন্ন করে। সমস্যাটা হল, এই অঙ্গের ক্যানসারে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনও লক্ষণই থাকে না। ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে, যখন চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়। কিন্তু সময়মতো শনাক্ত করা গেলে শুশ্রুষার পথ ততটাও কঠিন নয়। তাই একটি সাধারণ রক্তপরীক্ষা করানো উচিত বছরে এক বার করে। এই পরীক্ষায় প্রস্টেটের স্বাস্থ্যের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। রক্তে পিএসএ-র মাত্রা বেশি হলে সেটি প্রস্টেট ক্যানসারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত হতে পারে, যদিও অন্য আরও একাধিক কারণেও এটি বাড়তে পারে। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হয় বা পরবর্তী চিকিৎসা শুরু করাতে হয়। চিকিৎসকদের মতে, ৫০ বছরের পর নিয়মিত এই পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি, কারণ এতে ক্যানসার অনেক আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ ছাড়াও ডিজিটাল রেক্টাল পরীক্ষা (ডিআরই) করানো হয়। এ ক্ষেত্রে মলদ্বার দিয়ে প্রস্টেট গ্রন্থি পরীক্ষা করা হয়। এতে কোনও স্ফীতি বা শক্ত অংশ রয়েছে কি না, তা দেখা হয়।

প্রস্টেট ক্যানসারের শুরুতে অনেক সময়ে কোনও লক্ষণ থাকে না। তবে ধীরে ধীরে কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যেমন

· প্রস্রাবের গতি কমে যাওয়া

· বার বার প্রস্রাবের বেগ আসা, বিশেষ করে রাতে

· প্রস্রাবের সময় ব্যথা

· প্রস্রাবে রক্ত দেখা দেওয়া

এই লক্ষণগুলি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Akshay Kumar Prostate Cancer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy