রমে বাড়ির বয়স্করা যেন অসুস্থ হয়ে না পড়েন তা নিয়ে চিন্তা স্বাভাবিক। অনেক বাড়িতেই প্রবীণেরা রোদের মধ্যেই নিয়ম করে বাজার করতে বা জিনিস কিনতে বেরোন। কাজের জন্যও অনেককে বাড়ির বাইরে বেরোতে হয়। তাই এই সময়টাতে শরীর ঠিক রাখা খুব জরুরি। গরম আরও বাড়বে। চড়া রোদে সানস্ট্রোকের ঝুঁকিও বেশি। বয়স্কদের অনেকেই আবার জল কম খান। সে ক্ষেত্রে এমন কিছু খাওয়াতে হবে যা জলের ঘাটতি মেটাতে পারে।
প্রথমত, মনে রাখতে হবে রোদ থেকে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাওয়া যাবে না। বদলে ঘরে তৈরি ডিটক্স পানীয় দিতে পারেন। ৫-৬টি তুলসী পাতা, হাফ ইঞ্চি কাঁচা হলুদকুচি ও সামান্য গোলমরিচ নিয়ে নিন। দু’কাপ জলে হলুদ ও তুলসী পাতা দিয়ে ভাল ভাবে ফোটান। জল লালচে-হলুদ রঙের হয়ে গেলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এ বার গোলমরিচগুঁড়ো মিশিয়ে দিন। ঠান্ডা করে খেতে পারে। শসা, লেবু ও আদা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে না ছেঁকে শাঁস সমেত ওই স্মুদি দিতে পারেন। জলের ঘাটতি মেটাতে এই পানীয় খুবই উপযোগী।
আরও পড়ুন:
স্যুপও বয়স্কদের জন্য ভাল। যাঁরা সারা দিনে ২ লিটারেরও কম জল খান, তাঁদের জন্য স্যুপ ভাল বিকল্প হতে পারে। সবচেয়ে উপকারী টম্যাটো-তুলসীর স্যুপ। ৪টি পাকা টম্যাটো নিয়ে ভাল করে ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। একটি গোটা পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন, সঙ্গে ৩-৪ কোয়া রসুন। কড়াইতে এক চামচ অলিভ তেল বা সাদা তেল দিয়ে আগে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি ভেজে নিন। সামান্য নুন ও মিষ্টি দিয়ে ঢেকে বসিয়ে দিন। টম্যাটো গলে গেলে উপর থেকে গোলমরিচ, তুলসি পাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
গরমে বমি শুরু হলে চিনি দেওয়া জল আগে খাওয়াতে হবে। ডাবের জলও এ ক্ষেত্রে কার্যকর। ডাবের জলে লেবুর রস ও সামান্য নুন মিশিয়ে নিন। উপরে সামান্য পুদিনা পাতা ছড়িয়ে দিন। থেঁতো করেও দিতে পারেন। এই পানীয় হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচাবে।