ভাতের পাতেই খান বা ভাত-রুটি এড়িয়ে স্যালাডে পেট ভরান, স্বাস্থ্যকর এই খাবারই ক্ষেত্রবিশেষে হয়ে উঠতে পারে অস্বাস্থ্যকর। শাক থেকে সব্জি স্যালাডে কাঁচা খাওয়ারই চল। কাঁচা সব্জিতে ভিটামিন, খনিজও মেলে যথেষ্ট। কিন্তু কখনও কখনও কাঁচা সব্জির সঙ্গে পেটে পৌঁছোতে পারে রোগজীবাণু। তা থেকেই হতে পারে পেটের গন্ডগোল, আমাশয়ের মতো সমস্যা।
তা ছাড়া, কাঁচা সব্জি এবং শাকে ব্যবহার করা কীটনাশক, রাসায়নিক সার পেটে গেলেও ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের। তাই পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকেরা মনে করাচ্ছেন, স্যালাড খেলেই হল না, বরং তা খেতে হবে নিয়ম মেনে।
পেটের চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, একাধিক সব্জিতে অনেক সময়ে অদৃশ্য জীবাণু বা ক্ষতিকর উপাদান লুকিয়ে থাকতে পারে। ঠিক মতো পরিষ্কার না করলে বা রান্না না করলে এগুলি সরাসরি আমাদের শরীরে ঢুকে যেতে পারে। এ ছাড়াও এমন নানা ধরনের সব্জি আছে, যা রান্নার পরেই পুষ্টিকর হিসাবে খ্যাত। তাই সব ক্ষেত্রে কাঁচা সব্জি শরীরের পক্ষে ভাল নয়।
ক্যাপসিকামের মতো কিছু সব্জি অনেকে কাঁচা খান। কাঁচা খাওয়া হয় কচি পালংও। কিন্তু কিছু জিনিস সরাসরি কাঁচা না খেয়ে হালকা ভাপিয়ে নেওয়া ভাল।
আরও পড়ুন:
শসা হোক বা গাজর কিংবা মুলো, শুধু জল দিয়ে ধোয়াই যথেষ্ট নয়। কারণ সব্জির গায়ে লেগে থাকতে পারে অদৃশ্য জীবাণু। প্রথমেই কলের জলে খুব ভাল করে সব্জি ধুতে হবে। সুরক্ষার জন্য এর পর বেকিং সোডা মেশানো জলে কিছু ক্ষণ সব্জি রেখে দিন। এতে ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের অসুখের ঝুঁকি কমবে।
সাবান দিয়ে অনেকে সব্জি পরিষ্কারের চেষ্টা করেন। কিন্তু মনে রাখা দরকার, সাবান পেটে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
কাঁচা সব্জি উপকারী হলেও কিছু কিছু সব্জি হালকা ভাপিয়ে খেলে ভাল। সেই তালিকায় গাজর, মুলো, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি রাখতে পারেন। আবার শসা, পেঁয়াজ কাঁচাই খাওয়া চলে। তবে যেটাই খাওয়া হোক না কেন, সব্জি ধুয়ে খেতে হবে। একই সঙ্গে, খাওয়ার সময়থাত পরিষ্কার রাখা জরুরি।