সফলতার পিছনে সকলে ছোটেন। কিন্তু তার স্বাদ সবাই পান না। কেউ কম বয়সেই পেশাজীবন, আর্থিক ক্ষেত্রে সন্তুষ্টি পেয়ে যান। কারও ক্ষেত্রে প্রচুর পরিশ্রম করেও ভাগ্যের সদ্গতি হয় না। যদিও সফলতার সংজ্ঞা ব্যক্তিবিশেষে ভিন্ন, কিন্তু এক বয়সে সকলের ভাগ্যে সুপরিবর্তন দেখা যায় না। কারও ক্ষেত্রে বিশেষ পরিশ্রম ছাড়াই কম বয়সে উন্নতি হলেও, অনেকের ক্ষেত্রে গল্পটা হয় অন্য রকম। সংখ্যাতত্ত্ব জানাচ্ছে, তিন জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা বেশি বয়সে সফল হন। চল্লিশ পেরোনোর পর উন্নতি এঁদের কাছে ধরা দেয়। তার আগে যতই পরিশ্রম করুক না কেন, মনোমতো ফল পান না।
আরও পড়ুন:
কোন তিন জন্মসংখ্যা চল্লিশ পেরোলে সফলতার স্বাদ পান?
১: সূর্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ১ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের মধ্যে জন্মগত ভাবে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা থাকে। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও এঁদের ভাগ্য খুব ভাল হয়। চল্লিশের পর এঁরা মনের মতো পদে কাজ করার সুযোগ পান। কম বয়সে যে তা পান না সেটা নয়। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এঁদের পদমর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। একটু বেশি বয়সে ১ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের কাঁধে এমন কোনও কাজের দায়িত্ব এসে পড়ে, যা এঁরা বরাবর চেয়ে এসেছেন।
৫: ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের প্রতিনিধিত্ব করে বুধ। বুধ হল ব্যবসা এবং বুদ্ধির কারক গ্রহ। সেই কারণে ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা চাকরির থেকে ব্যবসাতেই বেশি উল্লেখযোগ্যতা পান। কম বয়সে অল্প মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও, পরে গিয়ে এঁরা প্রচুর মুনাফার মুখ দেখতে পান। সাধারণত চল্লিশের পর এঁদের ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠতে দেখা যায়। অর্থাভাব কাছে ঘেঁষতে পারে না।
৬: শুক্র ৬ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের নিয়ন্ত্রণ করে। ছোট থেকেই এঁরা বিলাসবহুল জীবন কাটানোর সুযোগ পান। পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল না হলেও এঁদের কখনও অভাব-অনটনের সম্মুখীন হতে হয় না। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ৬ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের ভাগ্যের সদ্গতি হতে দেখা যায়। চল্লিশের কাছাকাছি পৌঁছে এঁরা সফল হন। তখন আর এঁদের ফিরে তাকাতে হয় না। নিজের ছন্দে জীবন কাটানোর সুযোগ মেলে।