বদভ্যাস প্রত্যেক মানুষেরই রয়েছে। কারও কম, কারও বেশি। কিছু মানুষ নিজের মধ্যে থাকা খারাপ অভ্যাস সম্বন্ধে সচেতন। সেগুলির উপর কাজ করার চেষ্টা করেন, যাতে বদভ্যাস কাটিয়ে বেরিয়ে আসতে পারেন। বহু মানুষ আবার এমন রয়েছেন যাঁরা খারাপটা জানেন, কিন্তু সেটি মানতে ও নিজেকে বদলাতে নারাজ। আমাদের মধ্যে থাকা খারাপ অভ্যাসের কারণে আশেপাশের মানুষদের ক্ষতি হোক কি না হোক, আমাদের নানা ক্ষেত্রে অসুবিধার মুখে পড়তে হয়। নতুন বছরে প্রায় সকলেই অতীতের না পাওয়াগুলোকে পূরণ করতে চান। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বাদ সাধতে পারে বাজে অভ্যাস। সেগুলি অনেক ক্ষেত্রে আমরা পেয়ে থাকি আমাদের জন্মসংখ্যা ও রাশি থেকে। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, ২০২৬-এ প্রত্যেক জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদেরই কিছু না কিছু অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। না হলে অগ্রগতিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। জন্মসংখ্যা মিলিয়ে দেখে নিন নতুন বছরে কী করা চলবে না।
আরও পড়ুন:
১: নতুন বছরে ১ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের দম্ভ ত্যাগ করতে হবে। সর্বদা নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার তাগিদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনারাও কখনও, কোনও ক্ষেত্রে ভুল হতেই পারেন, এই সাধারণ ব্যাপারটা মেনে নিতে পারলেই জীবন অনেকটা সহজ হয়ে উঠবে। দম্ভ আঁকড়ে বসে থাকলে নানা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
২: ২ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। পুরনো ব্যাথা, খারাপ লাগা ভুলে গিয়ে নতুন করে শুরু করতে হবে। অতীতের কষ্ট বয়ে বেড়ালে চেষ্টা করেও ভাল থাকতে পারবেন না।
৩: ২০২৬-এ ৩ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের নিজেদের শ্রেষ্ঠ ভাবা বন্ধ করতে হবে। আমাদের আশপাশে এমন বহু মানুষ রয়েছেন যাঁরা আমাদের থেকে কোনও না কোনও বিষয়ে ভাল। নিজেকে সকলের সঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না। তা হলে মানসিক শান্তির বিঘ্ন ঘটবে।
আরও পড়ুন:
৪: ৪ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের মনের গহীনে থাকা ভয়গুলিকে দূরে সরিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তা হলেই সফলতার হাতছানি মিলবে। না হলে নতুন বছরেও ভাগ্যের হাল বদলাবে না।
৫: ভাল কিছু পেতে গেলে মাথায় ভাল চিন্তা রাখাও জরুরি। ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের নতুন বছরে এটাই জীবনের মন্ত্র মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছে সংখ্যাতত্ত্ব। আপনাদের সর্বদা নিজেকে ছোট করা ও নেগেটিভ চিন্তাভাবনা বন্ধ করতে হবে। না হলে প্রচুর পরিশ্রম করেও সফল হতে পারবেন না।
৬: নতুন বছরে পুরনো বিশ্বাস ভাঙার কথা ভুলে গিয়ে মানুষকে বিশ্বাস করতে শিখতে হবে ৬ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের। অন্যদের বিশ্বাস করতে না পারলে নানা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
৭: ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা বয়ে নিয়ে চললে হবে না। লোকেদের সঙ্গে মিশতে শিখতে হবে। সর্বদা নিজেকে সামাজিক সব কিছু থেকে দূরে রাখতে ভালবাসেন ৭ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা। কিন্তু আপনাদের এই স্বভাবের জন্য অগ্রগতির সুযোগ হাতছাড়া হয়ে পারে। তাই অপরের সঙ্গে মিশুন, জীবনকে ভালবেসে বাঁচুন।
৮: ২০২৬-এ ৮ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের সর্বদা নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার তাগিদ ত্যাগ করতে হবে। এঁরা জীবনকে একটা পরীক্ষা মনে করেন। যেখানে কখনও ভুল হলেই তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন বলে ভাবেন। এর মনে নিজেদেরই ক্ষতি হয়। এই স্বভাব কাটিয়ে ওঠা জরুরি।
৯: ৯ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের বদসঙ্গ ত্যাগ করা উচিত। যে মানুষ আপনাদের মানসিক শান্তি দেয় না, তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক বয়ে নিয়ে গিয়ে লাভ নেই। এতে নিজেরই ক্ষতি হবে। তাই নতুন বছরে এই প্রকার মানুষদের জীবন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করুন।