বছর শুভ করে তুলতে আমরা নানা কিছু পালন করে থাকি। সকলেই নিজের অতীতের শূন্যস্থানগুলিকে নতুন বছরে পূরণ করতে চান। সেই কারণে নানা উপায়ও পালন করে থাকেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে সেই সংক্রান্ত নানা উপায়ের উল্লেখও পাওয়া যায়। তবে বছরের প্রথমে যেই উদ্যম নিয়ে টোটকাগুলি পালন করা হয়, এক-দু’সপ্তাহ যেতে না যেতেই তা ফিকে হয়ে যায়। শেষে গিয়ে আমরা সে সব ভুলেই যাই। কিন্তু মন দিয়ে দেবতাদের পুজো করলেও যে ফল পাওয়া যায় সেটা আমরা অনেকেই জানি। সূর্যের বছর ২০২৬-এ দুই দেবতার পুজো করার নিদান দিচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত এঁদের পুজো করতে পারলে ভাগ্যের উন্নতি ঘটবে। সফলতা প্রাপ্তিতেও সুবিধা হবে।
আরও পড়ুন:
কোন দুই দেবতার পুজো করতে হবে?
২০২৬ সূর্যের বছর। তাই এই বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রবির পুজো করা দরকার। রবি তুষ্ট হলে ভাগ্যের অমানিশা দূর হবে নিশ্চিত। এরই সঙ্গে হনুমানজির পুজো করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত বজরংবলির পুজো করলে নানা দিক থেকে ফলপ্রাপ্তি ঘটবে। এরই সঙ্গে বিশেষ কিছু নিয়ম পালন করতে পারলেও খুব ভাল হয়।
- প্রতি রবিবার সূর্য ওঠার আগে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চেষ্টা করুন। তার পর স্নান সেরে শুদ্ধ বসনে সূর্যের উদ্দেশে জল অর্পণ করুন।
আরও পড়ুন:
- জলের মধ্যে কিছু ফুল ছড়িয়ে নিতে পারেন। জল অর্পণ করার সময় সূর্যপ্রণাম মন্ত্র বা গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ করুন।
- মঙ্গলবার ও শনিবার করে হনুমান মন্দিরে প্রদীপ এবং ধূপকাঠি জ্বালান। গোপনে দেশলাই দান করুন।
- প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার হনুমানের উদ্দেশে কলা অর্পণ করুন। এরই সঙ্গে কমলা রঙের কোনও মিষ্টি দিতে পারলে খুব ভাল হয়।
আরও পড়ুন:
- প্রতি সপ্তাহের শনিবার হনুমান মন্দিরে একটি করে লাল বা কমলা রঙের পতাকা নিবেদন করুন।
এই রকম সহজ কিছু উপায় মেনে সারা বছর জুড়ে এঁদের পুজো করতে পারলে আত্মবিশ্বাস ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। মন থেকে ভয় দূর হবে। যে কোনও কাজ সাহসের সঙ্গে করতে পারবেন। সব সময় মনে রাখবেন ঈশ্বর ভক্তির ক্ষেত্রে নিষ্ঠাই আসল। তাঁকে তুষ্ট করার জন্য সর্বদা অনেক কিছু দান করতে হবে এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।