একটির মাথায় ঠোঁট বসিয়ে রেখেছে অন্য একটি ফ্লেমিঙ্গো। ঠোঁট বসানো সেই জায়গা থেকে চুঁইয়ে পড়ছে ‘রক্ত’। তার ঠিক নীচেই রয়েছে ফ্লেমিঙ্গোর একটি শাবক। মা ফ্লেমিঙ্গোর ঠোঁট কামড়ে রয়েছে সেটি। হাঁ করা সেই ঠোঁট গলে চুঁইয়ে পড়া ‘রক্ত’ গলার ভিতরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু ছবিটিতে প্রাথমিক ভাবে একটা ‘হিংস্রতার’ প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে।
ছবিটি প্রথমে দেখেই মনে হতে পারে যে, দু’টি ফ্লেমিঙ্গোর লড়াই চলছে। যেন একটি আর একটিকে ঠুকরে আহত করছে। আর আহত হওয়া মা ফ্লেমিঙ্গো যেন তার শাবককে সেই হামলার আঁচ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু যেটা চোখে ধরা পড়ছে, ছবি দেখে যেটা হিংস্রতার কথা প্রথমেই মনে আসছে, আসলে ছবির আড়ালে কিন্তু অন্য কাহিনি লুকিয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন:
না, এই ছবিতে হিংস্রতার লেশমাত্র নেই। কোনও লড়াই নেই। রক্তপাতের ঘটনাও ঘটেনি। তা হলে? ছবি এবং ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছে ‘সায়েন্স চ্যানেল’। এই ছবির আড়ালে কী কাহিনি রয়েছে তা প্রকাশও করা হয়েছে। ‘সায়েন্স চ্যানেল’ জানিয়েছে, যে ঠোকরানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, আদৌ তা ঠিক নয়। শাবকটিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছিল দু’টি ফ্লেমিঙ্গোই। রক্তের মতো যে তরল দেখা যাচ্ছে, আসলে সেটি তাদের পাচনতন্ত্রে তৈরি হওয়া এক ধরনের তরল। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত সেই তরলই অন্যটির মাথায় উগরে দিচ্ছিল একটি ফ্লেমিঙ্গো। আর সেই তরলই মাথা চুঁইয়ে শাবকের মুখে পৌঁছচ্ছিল।