তেলঙ্গনায় পথকুকুর নিধন চলছেই। এ বার হানামকোন্ডা জেলায় উদ্ধার হল আরও ২০০টি কুকুরের মৃতদেহ। এই নিয়ে ওই দক্ষিণী রাজ্যে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কুকুরনিধনের সংখ্যা বেড়ে হল ১,১০০।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এ গৌতম সোমবার স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, প্রায় এক মাস আগে পাথিপাকা নামক এক গ্রামে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দিয়ে ২০০টি কুকুরকে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তের দাবি, এই নির্মম হত্যাকাণ্ড হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত সচিবের নির্দেশেই। জানা গিয়েছে, হত্যার পরে কুকুরের দেহগুলি একটি কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, পথকুকুর হত্যার ঘটনায় এর আগে এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর স্বামী-সহ মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
গত ১৯ ও ২২ জানুয়ারি জগতিয়াল জেলার ইয়াচরাম ও পেগাতিয়াল গ্রামে যথাক্রমে ১০০টি ও ৩০০টি কুকুরকে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দিয়ে হত্যার অভিয়োগ উঠেছিল। ইয়াচরামের ঘটনাতেও অভিযুক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সচিব-সহ তিন জন। কামারেড্ডি জেলাতেও একই ভাবে ২০০টি কুকুর হত্যার অভিযোগে পাঁচ জন প্রধান-সহ ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। একই সমস্যা রঙ্গারেড্ডি-সহ বেশ কিছু জেলায়।
অভিযোগ উঠছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহে পথকুকুর সমস্যা সমাধানের ‘প্রতিশ্রুতি পূরণ’।