নবনির্মিত সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে নেমেছিলেন দুই শ্রমিক। নীচে নামার পর কিছু ক্ষণ পরই তাঁদের কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। কী হয়েছে, দেখতে ওই সেপটিক ট্যাঙ্কে নামেন অন্য এক শ্রমিক। ট্যাঙ্কের ভেতরে তিন জনেরই শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তাঁদের উদ্ধার করতে নামেন এক পথচারী। তবে চার জনের কেউই বাঁচেননি।
ঘটনাটি ঘটে ওড়িশার নবরঙ্গপুর জেলার নন্দাহান্ডি ব্লকের পদালগুদা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই সেপটিক ট্যাঙ্কে ঢোকার পরই দুই শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে নিজেদের চেষ্টায় বার হতে পারেননি। তাঁদের বাঁচাতে ওই সেপটিক ট্যাঙ্কে নামেন আরও এক শ্রমিক। তাঁরও শ্বাসকষ্ট শুরু হয় ট্যাঙ্কের মধ্যে। তিন জনের চিৎকার শুনে এক পথচারীও নামেন সেখানে।
চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় খবর দেওয়া হয় দমকলকে। তারা এসে চার জনকে ওই অবস্থা থেকে উদ্ধার করে। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। পথচারীকে নবরঙ্গপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁরও।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের দাবি, সেপটিক ট্যাঙ্কের নীচে কাজ করার জন্য শ্রমিকদের কারও কাছেই সুরক্ষা সরঞ্জাম বা অক্সিজেন সাপোর্ট ছিল না। কোনও সুরক্ষা ছাড়াই তাঁরা ট্যাঙ্কে নেমেছিলেন। এক পুলিশকর্তার কথায়, ‘‘আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ফরেন্সিক এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। কী ধরনের গ্যাস থেকে দুর্ঘটনা ঘটে, তা-ও জানা যাবে।’’