খবরটা ঘুম উড়িয়ে দেওয়ারই মতোই বটে। নোবেল পুরস্কার বলে কথা! তবে ভোরবেলা সে খবরটা শোনার পর তাঁর ঘুম উড়ে যায়নি। বরং ফের ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

কেন? সে কথা জানিয়েছেন অভিজিৎ নিজেই। তিনি বলেন, ‘‘সাতসকালে ঘুম থেকে উঠে পড়ায় অভ্যস্ত নই। মনে হল, না ঘুমোলে শরীরে উপর অত্যাচার করা হবে।’’ নোবেল কমিটির কাছে সাড়ে চার মিনিটের একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

তবে বেশি ক্ষণ ঘুমোতে পারেননি অভিজিৎ। অভিনন্দন বার্তা জানিয়ে পরের পর ফোন আসতে থাকে তাঁর কাছে। ফলে আর শুয়ে থাকতে পারেননি। তাঁর কথায়, ‘‘না! বেশি ক্ষণ ঘুমোতে পারিনি। একটা পর এটা ফোনকল আসছিল। প্রেস কনফারেন্স হওয়ার পর ভারতে আর ইউরোপে খবরটা ছড়িয়ে পড়েছিল। আমার আর কোনও উপায় ছিল না। ৪০ মিনিটের বিরতি পেয়েছিলাম, তাতেই খানিকটা ঘুমিয়ে নিয়েছিলাম।’’

আরও পড়ুন: খারাপ হাতের লেখা, স্কুল ডেকেছিল মাকে

অর্থনীতিতে নোবেল জয়ের পর অভিজিতের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, এই পুরস্কার অপ্রত্যাশিত। অভিজিৎ মনে করেন, অর্থনীতির দুনিয়ায় তাঁর থেকেও বেশি যোগ্য মানুষ রয়েছেন। তবে স্ত্রী এস্থার দুফলোর সঙ্গে নোবেল ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টা বেশ উপভোগ করছেন অভিজিৎ। তাঁর কথায়, ‘‘গবেষণা থেকে এমআইটি-তে কাজ করা , এক ভাবে দেখতে গেলে, এটা যেন পরিবারের ভিতরের বিষয়।’’

আরও পড়ুন: ‘গরিব পণ্য কিনতে না পারলে নিস্তার নেই ভারতের’

অভিজিতের মতে, এ ধরনের পুরস্কারের আসল হকদার তাঁর মতো মানুষের বদলে যাঁরা বাস্তবে সকলের কল্যাণে কাজ করেন, তাঁরা!