এঁরা একে অপরের বেস্ট ফ্রেন্ড। এঁদের মধ্যে রয়েছে মিল রয়েছে একটি বিষয়ে। এটি এক বধির ব্যক্তির একটি বধির কুকুরকে দত্তক নেওয়ার গল্প। আসলে গল্প নয় সত্যি ঘটনা।

নিক অ্যাবট তাঁর ফেসবুক নিউজ ফিডে এমারসনকে প্রথম বার দেখেন। এমারসন একটি কালো ল্যাব্রাডর। কুকুরটির ছবি পোস্ট করেছিল উত্তর ফ্লোরিডা রেসকিউ (এনএফআর)। সেখানে লেখা ছিল, এমারসন একটি সুন্দর পরিবার খুঁজছে।

নিক জানিয়েছেন, এই পোস্ট দেখার পরই তিনি কুকুরটির প্রতি টান অনুভব করতে থাকেন। নিক এবং এমারসন দু’জনেই বধির। নিক জানা, বধির হওয়া কতটা কষ্টের, আমি জানি। তাই তিনি এমারসনকে বুঝতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন।

এমারসনের সঙ্গে আর যে কুকুর ছানাগুলি জন্মেছিল তাদের সবাইকে কেউ না কেউ দত্তক নিয়ে নিয়েছিলেন। শুধু এমারসন কোনও ঘর খুঁজে পায়নি তখনও পর্যন্ত।

নিক জানিয়েছেন, প্রথমে তিনি কিছুটা সংশয়ে ছিলেন। ভাবছিলেন, এই দায়িত্ব তিনি ঠিকঠাক পালন করতে পারবেন কিনা। কারণ তাঁর কাছে ইতিমধ্যেই সাত বছর বয়সের একটি ফন ল্যাব রয়েছে। কিন্তু তিনি এমারসনকে তাঁর মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছিলেন না।

 

শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এমরাসনের সঙ্গে দেখা করবেন। এমারসনের কাছে যেতেই সে তার পায়ের ওপর শুয়ে পড়ে, যেন তাদের কত দিনের চেনা জানা। সেই মুহূর্তেই নিক সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেন।

আরও পড়ুন : পোষা পাখির আক্রমণেই মরতে হল ফ্লোরিডাবাসীকে

আরও পড়ুন : ট্রাফিক আপডেট দিচ্ছে সিগাল! ভাইরাল ভিডিয়ো

নিক জানান, এখন তাঁদের বন্ধুত্ব অন্য পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। নিক যেখানেই যান আশেপাশে ঠিক উপস্থিত থাকে এমারসন। এখন নিক এমারসনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ইঙ্গিতে কী ভাবে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয় তা বেশ রপ্ত করছে এমারসন। এটা একটা অন্যরকম অভি়জ্ঞতা।এখন তাঁরা সব থেকে ভাল বন্ধু। পরস্পরের সান্নিধ্য উপভোগ করছেন।