কালো ক্রপ টপ ও কমলা রঙের ট্রাউজার। এই পোশাক পরেথমাস কুক এয়ারলাইন্সের বিমানে চড়েছিলেন এমিলি ও’কোনর নামের এক যুবতী। শুধুমাত্র এই পোশাক পরার জন্য বিমানের মধ্যে হেনস্থা হতে হল তাঁকে। বিমানে ওঠার পরই কেবিন ক্রুরা তাঁকে বলেন, তাঁর পোশাক যথাযথ নয়। অভিযোগ, পোশাকের জন্য তাঁকে নামিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

পোশাকের জন্য বিমানের মধ্যে হেনস্থার ঘটনাকথা টুইট করে জানিয়েছেন এমিলি।টুইটারে কোনর লিখেছেন,‘বার্মিংহাম থেকে টেনেরিফ আসছিলাম। এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি চেক কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু প্লেনে ওঠার পরেই কেবিন ম্যানেজার-সহ চার কেবিন ক্রু এসে আমাকে ঘিরে ধরে। ওপরে একটা জ্যাকেট না চাপালে প্লেন থেকে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। আমার পোশাকে কোনও যাত্রীর সমস্যা হচ্ছে কিনা,তা জানতে চাই আমি। কেউ কোনও উত্তর দেয় না। আমি ওদের সঙ্গে তর্ক করায় ওরা আমার ব্যাগ ধরে টানাটানি শুরু করে। সেই সময় এক যাত্রী আমার উদ্দেশে আপত্তিজনক মন্তব্যও করেন। তাঁকে কেউ কিছুই বলে না। বাধ্য হয়ে আমি জ্যাকেট পরে নিলে আমাকে ছেড়ে দেয় ওই বিমানকর্মীরা।’

এই ঘটনার পর অধিকাংশ মানুষ এমিলিকে সমর্থন করেছেন। তাঁর পোশাকে কোনও সমস্যা নেই বলেও জানিয়েছেন অনেকে। ওই তরুণীর আরও অভিযোগ, তাঁর আসনের পিছনের দিকে দু’জন ব্যক্তি হাফপ্যান্ট ও গেঞ্জি পরে বসেছিলেন। কিন্তু তাঁদের পোশাক নিয়ে কোনও আপত্তি জানাননি বিমানকর্মীরা।

 

ইংল্যান্ডে এই ধরনের ব্যবহারের মুখে পড়তে হতে পারে, এ কথা স্বপ্নেও ভাবেননি বলে জানিয়েছেন ওই ব্রিটিশ তরুণী। 

আরও পড়ুন: সেনার পোশাকে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে বন্দুকবাজের হামলায় হত ৬, রক্ষা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের