Advertisement
E-Paper

সারা ক্ষণ মুখ-গলা ঘামছে? বাইরে বেরোলেই নষ্ট হয়ে যায় মেকআপ, অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় কী?

ঘাম হওয়ার জন্য পরিবেশগত কিছু বিষয় অবশ্যই দায়ী। পাশাপাশি, জীবনযাপন, মানসিক চাপ, শারীরিক সক্রিয়তার উপরেও ঘামের পরিমাণ নির্ভর করে। গরমের সময়ে ঘাম হবেই, তবে অনেক সময়ে কোনও কারণ ছাড়াই দরদর করে ঘাম হতে থাকে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় কী?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৪৬
Excessive Facial Sweating in summer, try These Proven Home Remedies

সারা ক্ষণ মুখ ঘামে, কী ভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

অতিরিক্ত গরমে শরীরের উত্তাপ বেড়ে গেলে স্বেদগ্রন্থি থেকে ঘাম বেরোয়, যা ত্বক থেকে বাষ্পীভূত হয়ে শরীরকে ঠান্ডা করে। তাই ঘাম হওয়া খারাপ নয়। তবে অনেক সময়ে ঘাম এত বেশি হয় যে তা নিয়ে রীতিমতো নাজেহাল হতে হয়। রোদে বেরোলে বা ব্যায়াম করার পরে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যদি খুব গরমে না থেকেও দরদর করে ঘাম হতেই থাকে, তা হলে বিষয়টি চিন্তার। অনেকেরই মুখ ও গলা অতিরিক্ত ঘামে। ফলে বাইরে বেরোলেই মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে কী করণীয়? অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় কী?

মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস স্বেদগ্রন্থির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। গরম বেশি লাগলে বা শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সঙ্কেত পৌঁছোয় মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে। মস্তিষ্ক নির্দেশ দেয় যে এ বার ঘাম ঝরিয়ে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তখন ঘাম হতে থাকে। অনেকের আবার হাইপারহাইড্রোসিসের সমস্যা থাকে। বাকিদের তুলনায় এদের ঘাম বেশি হয়। তখন কিছু ওষুধ দিয়ে এই ঘাম কিছু ক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে এই ওষুধ নিয়মিত দেওয়া যায় না। তাই ওষুধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়েই ঘাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

বেশি ঘাম হলে কী করবেন?

Advertisement

আইস ফেশিয়াল

‘আইস ফেশিয়াল’ খুব তাড়াতাড়ি মুখের কালচে ভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও জেল্লাদার করে তুলতে পারে ঠিকই, কিন্তু নিয়ম না মেনে মুখে বরফ ঘষলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। বরফ দিলে সহজেই চোখের ফোলা ভাব কমে। মুখের ফোলা ভাবও কিছুটা কমে যায়। চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ দূর হয়। কিন্তু বরফ লাগাতে হবে নিয়ম মেনে। সুতির কাপড় বা তোয়ালেতে বরফের টুকরো নিয়ে আলতো করে গোটা মুখে বুলিয়ে নিতে হবে। এক জায়গায় বেশি ক্ষণ ধরে রাখলেই সেখানকার ত্বকে পোড়া দাগ হয়ে যেতে পারে।

শসা ও গোলাপ জল

শসার রস ত্বক ঠান্ডা রাখে এবং গোলাপ জল ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখে। শসার রসের সঙ্গে এক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখুন। দিন ভর মাঝে মাঝে মুখে স্প্রে করুন। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকবে এবং ঘাম কম হবে।

চন্দন ও মুলতানি মাটি

চন্দন ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মুলতানি মাটি অতিরিক্ত তেল ও ঘাম শুষে নেয়। চন্দনগুঁড়ো ও মুলতানি মাটির সঙ্গে জল মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। মুখ ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করলে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কমবে।

নিম ও তুলসীর প্যাক

ঘামের কারণে মুখে প্রায়ই র‍্যাশ বা ব্রণ হয়। নিম ও তুলসী অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল হিসেবে কাজ করে। একমুঠো নিমপাতা ও তুলসীপাতা বেটে নিয়ে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিতে হবে। মুখে মেখে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হবে। এটি ঘামের দুর্গন্ধ এবং ঘাম থেকে হওয়া ত্বকের চুলকানিও কমায়।

ওট্‌স ও লেবুর রস

ঘামের কারণে মুখ-চোখে কালচে ছোপ পড়ে অনেকের। ঘামের কারণে ত্বকের রন্ধ্রে ময়লাও জমে যাবে। তা দূর করতে ওট্‌সের স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। ২ চামচ ওট্‌সগুঁড়ো, ১ চামচ লেবুর রস এবং সামান্য জল দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করে ধুয়ে ফেলতে হবে। ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাবও দূর করে এই প্যাক।

Sweat Skin Care Tips Summer Skin Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy