• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দিনে মাত্র পাঁচ মিনিট এই ভাবে দাঁড়ান, তাতেই কমবে মেদ, ঝরবে ওজন

fat burn
দিনে পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় করেও ফ্যাট বার্ন হওয়া সম্ভব। ছবি: আইস্টক।

Advertisement

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, পার্টি-পিকনিক, পেট ভরাতে মাঝেমধ্যেই জাঙ্ক ফুড। জীবনে এ সবই বহাল তবিয়তে রয়েছে। নেই কেবল এর ফলে শরীরে জমে যাওয়া মেদকে জব্দ করতে প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক আউট করার সময়। আর তাতেই শরীরের ওজন বাড়ছে হু হু করে। মাঝেসাঝে ডায়েট করে তাদের শায়েস্তা করার চেষ্টা করলেও সেই ডায়েট একনাগাড়ে মেনে চলাও কঠিন হয়ে পড়ে।

এমন সমস্যায় ত্রাতা হয়ে উঠতে পারে মাত্র পাঁচ মিনিট সময়। পাঁচ মিনিটের একটি অভ্যাসই মেদ জমার পথে বাধা হয়ে উঠতে পারে। এককথায় একে বলে ‘দ’ হয়ে দাঁড়ানো। ব্যায়ামের পরিভাষায় স্কোয়াট। চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানোকেই স্কোয়াট বলে। এই সময় হাত দু’টো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে দিন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক স্কোয়াটে শরীরের অনেকটা উপকার করে। স্কিপিং, দৌড়নো, হাঁটাহাঁটিতে পায়ের পেশীর যে উপকার মেলে, স্কোয়াট তার অনেকটাই পুষিয়ে দেয়। কোমর ও পায়ের পেশীকে শক্তসমর্থ করে স্কোয়াট।

আরও পড়ুন: জিমে যাচ্ছেন? খাবার পাতে এ সব বদল না আনলে বিপদ!

ফিটনেস বিশেষজ্ঞ সুকোমল সেনের কথায়, ‘‘শুধু পেশীর জোর বাড়ানোই এর একমাত্র কাজ নয়, টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন ক্ষরণে বিশেষ কার্যকর এই ব্যায়াম। যার জেরে পেশীর বৃদ্ধি ও ভরকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। সারা শরীরে শক্তির সমান বণ্টনের ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ করে এই ব্যায়াম।”

দীর্ঘ দিন ধরে এই ব্যায়াম অভ্যাসের ফলে কথায় কথায় পেশীতে টান, গাঁটে ব্যথা, একটু দৌড়ঝাঁপেই পেশীর ব্যথার মতো অসুবিধা দূর হয়। প্রতি দিন এমন ব্যায়ামে শরীর সারা দিন সতেজ তো থাকেই, সঙ্গে শরীরের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। দেহের ভারসাম্য, গতিশীলতা সব কিছুকেই স্বাভাবিক করতে সক্ষম এই ব্যায়াম।

আরও পড়ুন: শীতে পার্টি-পিকনিকের জেরে বাড়ছে পেটের মেদ? এই সব উপায়ে দ্রুত কমবে ওজন

হাঁটাহাঁটিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন হয়, তার চেয়েও বেশি ফ্যাট ঝরাতে পারে এই ব্যায়াম। স্কোয়াটের ফলে শরীরে আঘাতের প্রবণতা কমে। পেশীর নমনীয়তা বাড়ায় তা সহজে ভারসাম্য হারাতে দেয় না। শরীরের গঠন, পিঠ ও কোমরের আকার ও গোটা শরীরে নানা অ্যাব তৈরি করতে স্কোয়াট একাই একশো। শুধু তা-ই নয়, শরীরে ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ, লিপিড মেটাবলিজম, রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখা ইত্যাদিও এই ব্যায়ামের মাধ্যমে সম্ভব। ক্ষতিকর ফ্যাট গলিয়ে ডায়াবিটিস, ওবেসিটি ইত্যাদি থেকে শরীরকে অনেকটাই দূরে রাখার ক্ষমতা রাখে স্কোয়াট।

এই ব্যায়ামের প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। হরমোন ক্ষরণ, কোষে কোষে পুষ্টিগুণ পৌঁছনোর কাজও সহজ হয়ে যায়। ফলে পেটের সমস্যা প্রতিরোধ, সারা শরীরে উপকারি বডি ফ্লুয়িড পৌঁছনোর মতো প্রয়োজনীয় জৈবিক কাজও অনেক সহজ করে তোলে এই স্কোয়াটর অভ্যাস। সুতরাং আর দেরি না করে আজ থেকেই শুরু করুন স্কোয়াট।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন