এর আগে কলকাতার সূর্যগ্রহণ দেখার শেষ সৌভাগ্য হয়েছিল ২০১৬-র ৯ মার্চ। ভারতে না হলেও ওই সময় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পথটা গিয়েছিল কাছাকাছি এলাকার উপর দিয়ে। ফলে, কলকাতা-সহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আংশিক ভাবে দেখা গিয়েছিল সেই গ্রহণ। আর ৯ বছর আগেও এক বার সূর্যগ্রহণ দেখতে পেয়েছিল কলকাতা। ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি। ওই সময় ভারতে হয়েছিল বলয়গ্রাস।
নিজস্ব সংবাদদাতা
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯
comets
সুজয় চক্রবর্তী
সেই পাগলাটে ‘রানার’কে এ বার দেখা যাচ্ছে এই বাংলার আকাশেও। যে ভিন মুলুকের ভিন রাজ্যের বার্তা বয়ে এনেছে। তাকে দেখা যাচ্ছে ভোর ৩টে/সাড়ে ৩টে থেকে ৪টে/সাড়ে ৩টে পর্যন্ত। আকাশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে। আজ, রবিবারই সে সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি এসে পড়েছে। এর পর একটু একটু করে সে দূরে সরে যাবে।
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
main-gfx
সুজয় চক্রবর্তী
তবু এক কৃষক-সন্তানই কি না শেষমেশ ভেদ করলেন সূর্যের খুব জটিল একটা রহস্য! ১৪২ বছর ধরে যার জট খোলা সম্ভব হয়নি।
০৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
Partha Pratim Majumder
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য
পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এশীয়দের জিনের গঠন বেশ জটিল। কমপক্ষে ১৪টি সুপ্রাচীন জনগোষ্ঠীর ডিএনএ মিশেছে এখানে।
০৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
gfx
সংবাদ সংস্থা
চাঁদের কক্ষপথে প্রদক্ষিণের সময় নাসার মহাকাশযান ‘লুনার রিকনাইস্যান্স অরবিটার (এলআরও)’ দক্ষিণ মেরুতে বিক্রম ল্যান্ডারের ধ্বংসাবশেষের ছবি তোলে। মঙ্গলবার সেগুলি প্রকাশ করে নাসা। ওই ছবিগুলি থেকে বিক্রমের ভেঙে পড়ার জায়গাটা খুঁজে বের করার জন্য চেন্নাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার ষণ্মুগ সুব্রমনিয়নের কৃতিত্বকেও স্বীকৃতি দিয়েছে নাসা।
০৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
Subramanian
নিজস্ব প্রতিবেদন
নাসার ‘লুনার রিকনিস্যান্স অরবিটার’ (এলআরও)-এর পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে চন্দ্রযান-২-এর বিক্রম ল্যান্ডারের ধ্বংসাবশেষ চিহ্নিত করে নাসাকে জানিয়েছিলেন সুব্রমনিয়ন।
০৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
NATURE
অর্ঘ্য মান্না
১৮৪৩ সালে দুই ভাই, আলেকজান্ডার ও ড্যানিয়েল ম্যাকমিলান কেমব্রিজে একটি বইয়ের দোকান ও প্রকাশনা সংস্থা শুরু করেন। ১৮৫৭ সালে ড্যানিয়েলের মৃত্যুর পর আলেকজান্ডার ব্যবসার হাল ধরেন।
০৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
sanmug
সংবাদ সংস্থা
উত্তরটা যে এমন ভাবে আসবে আশাই করতে পারেননি সন্মুগ। তাঁর পাঠানো প্রশ্নের ঠিক মাস দুয়েক পরই নাসা জানিয়ে দিল, চিহ্নিত করা বস্তুটিই ল্যান্ডার বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ।
০৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
nasa
সংবাদ সংস্থা
নাসার এই প্রকাশিত ছবিতে বেশ কয়েকটি সবুজ এবং নীল রঙের বিন্দু ধরা পড়েছে। নাসা জানিয়েছে, সবুজ বিন্দুগুলো বিক্রম-এর ধ্বংসাবশেষ। ছবিতে যে বড় নীল বিন্দু দেখা যাচ্ছে, সেখানেই আছড়ে পড়ে বিক্রম।
০৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
mars-main
সুজয় চক্রবর্তী
মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে এই প্রথম হদিশ মিলল অক্সিজেন অণুর। পৃথিবীর শ্বাসের বাতাস। প্রাণের বেঁচে থাকার অন্যতম জ্বালানি।
০১ ডিসেম্বর, ২০১৯
Subhash Kak
পথিক গুহ
কে এই বিজ্ঞানী? আমেরিকায় ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সুভাষ কাক।
০১ ডিসেম্বর, ২০১৯
আরও খবর
আপনার পছন্দ